ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

উত্তর ফটিকছড়িতে উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপনের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল-অবরোধ

চট্টগ্রামের উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ও অবরোধ শুরু হয়েছে। রোববার সকাল থেকে উপজেলার বাগান বাজার, দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের স্থানীয় এলাকাবাসীর ডাকে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের ডাকা এই হরতালের কারণে গহিরা-হেয়াকো এবং বারৈয়ারহাট-রামগড় সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে, তিন ইউনিয়নের হাট-বাজার, দোকানপাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে।

উত্তর ফটিকছড়ির মির্জারহাট থেকে বাগান বাজার পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে, ট্রাক দাঁড় করিয়ে এবং পিকেটাররা অবস্থান নিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করেছেন। এ সময় তাদের বিভিন্ন স্লোগান দিতেও দেখা গেছে। ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের মুখপাত্র ও বাগান বাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান একরামুল হক বাবুল বলেছেন, ‘ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর উত্তরাঞ্চলের মানুষের সুবিধাজনক স্থানে করার দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমে এসেছি। আমাদের এই যৌক্তিক দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’ তিনি আরও জানান, হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচির আওতার বাইরে থাকবে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন।

ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে জানিয়েছেন, উত্তর ফটিকছড়ির তিন ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হচ্ছে। এলাকাবাসী বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে ব্যারিকেড দিয়ে কর্মসূচি পালন করছেন। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং থানা পুলিশের পাশাপাশি অতিরিক্ত ৪০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তারা বিভিন্ন স্থানে সতর্ক অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লোহাগাড়া প্রেস ইউনিটের নতুন কমিটি গঠিত: নুরুল আলম সভাপতি, সেলিম উদ্দীন সাধারণ সম্পাদক

উত্তর ফটিকছড়িতে উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপনের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল-অবরোধ

আপডেট সময় : ০১:৪০:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ও অবরোধ শুরু হয়েছে। রোববার সকাল থেকে উপজেলার বাগান বাজার, দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের স্থানীয় এলাকাবাসীর ডাকে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের ডাকা এই হরতালের কারণে গহিরা-হেয়াকো এবং বারৈয়ারহাট-রামগড় সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে, তিন ইউনিয়নের হাট-বাজার, দোকানপাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে।

উত্তর ফটিকছড়ির মির্জারহাট থেকে বাগান বাজার পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে, ট্রাক দাঁড় করিয়ে এবং পিকেটাররা অবস্থান নিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করেছেন। এ সময় তাদের বিভিন্ন স্লোগান দিতেও দেখা গেছে। ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের মুখপাত্র ও বাগান বাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান একরামুল হক বাবুল বলেছেন, ‘ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর উত্তরাঞ্চলের মানুষের সুবিধাজনক স্থানে করার দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমে এসেছি। আমাদের এই যৌক্তিক দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’ তিনি আরও জানান, হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচির আওতার বাইরে থাকবে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন।

ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে জানিয়েছেন, উত্তর ফটিকছড়ির তিন ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হচ্ছে। এলাকাবাসী বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে ব্যারিকেড দিয়ে কর্মসূচি পালন করছেন। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং থানা পুলিশের পাশাপাশি অতিরিক্ত ৪০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তারা বিভিন্ন স্থানে সতর্ক অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছেন।