ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

সাংবাদিকদের মানোন্নয়ন ও টেলিভিশন সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকার আহ্বান

দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর ও চিফ রিপোর্টাররা সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি টেলিভিশন সাংবাদিকদের জন্য একটি পৃথক বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন। তারা অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতা বিকাশে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে, সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-কে আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা পালনের তাগিদ দিয়েছেন তারা।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিআরইউর শফিকুল কবির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব বিষয় উঠে আসে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।

সভাপতির বক্তব্যে আবু সালেহ আকন বলেন, মূলধারার সাংবাদিকতা বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহার এবং ভূইফোঁড় সাংবাদিকতার বিস্তার প্রকৃত সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নিবন্ধন ব্যবস্থা প্রয়োজন। তিনি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করে লাইসেন্স প্রদান এবং সাংবাদিকদের নিয়মিত বেতন নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল জানান, সাংবাদিকদের ঈদের ছুটি পাঁচ দিনে উন্নীত করতে ডিআরইউ সফল হয়েছে। এখন সাপ্তাহিক দুই দিনের ছুটির দাবিতে কাজ চলছে। পাশাপাশি, প্রবেশ পর্যায়ে সাংবাদিকদের ন্যূনতম ৩৫ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম অপসাংবাদিকতা ও ভুঁইফোঁড় সাংবাদিকতা প্রতিরোধে জাতীয় পর্যায়ে সরকার, সাংবাদিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে একটি সম্মেলনের আয়োজনের প্রস্তাব দেন।

মুক্ত আলোচনায় চ্যানেল আইয়ের অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর আরেফিন ফয়সাল আধুনিক ও সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এনটিভির চিফ রিপোর্টার সফিক শাহীন নিবন্ধনের পাশাপাশি পেশাগত নৈতিকতা নিশ্চিত করাকেও জরুরি বলে মনে করেন। আরটিভির অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর মাইদুর রহমান রুবেল অনলাইন গণমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার এবং ভুয়া সাংবাদিকতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

সাংবাদিকদের মানোন্নয়ন ও টেলিভিশন সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকার আহ্বান

আপডেট সময় : ০১:০১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর ও চিফ রিপোর্টাররা সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি টেলিভিশন সাংবাদিকদের জন্য একটি পৃথক বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন। তারা অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতা বিকাশে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে, সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-কে আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা পালনের তাগিদ দিয়েছেন তারা।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিআরইউর শফিকুল কবির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব বিষয় উঠে আসে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।

সভাপতির বক্তব্যে আবু সালেহ আকন বলেন, মূলধারার সাংবাদিকতা বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহার এবং ভূইফোঁড় সাংবাদিকতার বিস্তার প্রকৃত সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নিবন্ধন ব্যবস্থা প্রয়োজন। তিনি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করে লাইসেন্স প্রদান এবং সাংবাদিকদের নিয়মিত বেতন নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল জানান, সাংবাদিকদের ঈদের ছুটি পাঁচ দিনে উন্নীত করতে ডিআরইউ সফল হয়েছে। এখন সাপ্তাহিক দুই দিনের ছুটির দাবিতে কাজ চলছে। পাশাপাশি, প্রবেশ পর্যায়ে সাংবাদিকদের ন্যূনতম ৩৫ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম অপসাংবাদিকতা ও ভুঁইফোঁড় সাংবাদিকতা প্রতিরোধে জাতীয় পর্যায়ে সরকার, সাংবাদিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে একটি সম্মেলনের আয়োজনের প্রস্তাব দেন।

মুক্ত আলোচনায় চ্যানেল আইয়ের অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর আরেফিন ফয়সাল আধুনিক ও সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এনটিভির চিফ রিপোর্টার সফিক শাহীন নিবন্ধনের পাশাপাশি পেশাগত নৈতিকতা নিশ্চিত করাকেও জরুরি বলে মনে করেন। আরটিভির অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর মাইদুর রহমান রুবেল অনলাইন গণমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার এবং ভুয়া সাংবাদিকতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।