ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ থেকে বিরত থাকতে চীন ও রাশিয়াকে ট্রাম্পের কঠোর বার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, চীন ও রাশিয়া উভয় দেশই ইরানকে কোনো ধরনের অস্ত্র সরবরাহ না করার বিষয়ে তাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে, যদি তারা এই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে ইরানকে অস্ত্র দেয়, তাহলে পরিস্থিতি ‘খুবই খারাপ’ হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, বেইজিং কোনো অবস্থাতেই ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করবে না। এই প্রতিশ্রুতির মধ্যে চীনা কোম্পানিগুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে শি জিনপিং তাকে জানিয়েছেন। ট্রাম্প লেখেন, ‘পারস্পরিক সম্পর্কের কারণে আমি তার কথা বিশ্বাস করি এবং আমি তার জন্য অনেক বড় বড় সুবিধা করে দিচ্ছি।’

একইভাবে ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও তাকে একই ধরনের আশ্বাস দিয়েছেন। তার ভাষ্যমতে, পুতিনও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে রাশিয়া ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করবে না। ট্রাম্প এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘পুতিন জানেন, আমি সরাসরি ইউক্রেনকে অস্ত্র বিক্রি করি না; আমি ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রি করি। তারা পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করে। এরপর সেই অস্ত্র কীভাবে বিতরণ করা হয়, সে বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইরানের ক্ষেত্রে যেসব বড় দেশের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়, তাদের মধ্যে এই দুই দেশ আমার মতে কোনোভাবেই জড়িত নয়। যদি তারা তা করত, তাহলে তাদের জন্য পরিস্থিতি খুবই খারাপ হতো। এটি অবশ্যই তাদের স্বার্থের অনুকূলে নয়।’

পরে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করেন যে, তিনি শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার বিষয়ে বিশ্বাসী। এ সময় সাংবাদিকরা তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বক্তব্যের সঙ্গে তার অবস্থানের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন করেন, কারণ হেগসেথ এর আগে বলেছিলেন যে রাশিয়া ও চীন ইরানকে ‘সহায়তা’ করছে। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি নিশ্চিত নই যে তারা সত্যিই ‘সহায়তা’ করছে কি না। প্রেসিডেন্ট শি বলেছেন তিনি এতে অংশ নেবেন না। প্রেসিডেন্ট পুতিনও একই কথা বলেছেন। আমি তাদের বিশ্বাস করি।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে গিয়ে নেত্রকোণায় একজনের মৃত্যু

ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ থেকে বিরত থাকতে চীন ও রাশিয়াকে ট্রাম্পের কঠোর বার্তা

আপডেট সময় : ১১:১৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, চীন ও রাশিয়া উভয় দেশই ইরানকে কোনো ধরনের অস্ত্র সরবরাহ না করার বিষয়ে তাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে, যদি তারা এই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে ইরানকে অস্ত্র দেয়, তাহলে পরিস্থিতি ‘খুবই খারাপ’ হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, বেইজিং কোনো অবস্থাতেই ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করবে না। এই প্রতিশ্রুতির মধ্যে চীনা কোম্পানিগুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে শি জিনপিং তাকে জানিয়েছেন। ট্রাম্প লেখেন, ‘পারস্পরিক সম্পর্কের কারণে আমি তার কথা বিশ্বাস করি এবং আমি তার জন্য অনেক বড় বড় সুবিধা করে দিচ্ছি।’

একইভাবে ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও তাকে একই ধরনের আশ্বাস দিয়েছেন। তার ভাষ্যমতে, পুতিনও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে রাশিয়া ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করবে না। ট্রাম্প এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘পুতিন জানেন, আমি সরাসরি ইউক্রেনকে অস্ত্র বিক্রি করি না; আমি ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রি করি। তারা পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করে। এরপর সেই অস্ত্র কীভাবে বিতরণ করা হয়, সে বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইরানের ক্ষেত্রে যেসব বড় দেশের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়, তাদের মধ্যে এই দুই দেশ আমার মতে কোনোভাবেই জড়িত নয়। যদি তারা তা করত, তাহলে তাদের জন্য পরিস্থিতি খুবই খারাপ হতো। এটি অবশ্যই তাদের স্বার্থের অনুকূলে নয়।’

পরে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করেন যে, তিনি শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার বিষয়ে বিশ্বাসী। এ সময় সাংবাদিকরা তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বক্তব্যের সঙ্গে তার অবস্থানের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন করেন, কারণ হেগসেথ এর আগে বলেছিলেন যে রাশিয়া ও চীন ইরানকে ‘সহায়তা’ করছে। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি নিশ্চিত নই যে তারা সত্যিই ‘সহায়তা’ করছে কি না। প্রেসিডেন্ট শি বলেছেন তিনি এতে অংশ নেবেন না। প্রেসিডেন্ট পুতিনও একই কথা বলেছেন। আমি তাদের বিশ্বাস করি।’