ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

বাজেটের সার্থকতা নির্ভর করে সফল বাস্তবায়নের ওপর: অর্থমন্ত্রী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সম্প্রতি প্রণীত বাজেটটি দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সমাদৃত ও প্রশংসিত হয়েছে। তবে বাজেট তৈরি ভালো হলেও এর প্রকৃত সার্থকতা নির্ভর করে সফল বাস্তবায়নের ওপর। অর্থ বিভাগের সকলের যৌথ প্রচেষ্টায় এই বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে আমলাতন্ত্র (Bureaucracy) নিয়ে বিদ্যমান নেতিবাচক ধারণা পরিবর্তনের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, গত চার মাসে তিনি অনুভব করেছেন যে সবাই মিলে কাজ করলে যেকোনো বাধা অতিক্রম করা সম্ভব। প্রচলিত পুরোনো ব্যবস্থা বা ধারার থেকে বেরিয়ে এসে পরিবর্তিত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সভাগুলোকে কেবল একমুখী না রেখে কর্মকর্তাদের মুক্ত ও স্বতঃস্ফূর্ত মতপ্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। মুক্ত আলোচনা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং প্রথাগত ভাবনার বাইরে গিয়ে উদ্ভাবনী উপায়ে (‘আউট অব দ্য বক্স’) কাজ করা প্রয়োজন। কাজের পরিবেশকে একটি পরিবারের মতো মনে করতে হবে। কেবল অভিযোগ না করে কাজের সুযোগ, নতুন ধারণা এবং সমস্যাগুলো সরাসরি উপস্থাপন করে সমাধানের দিকে যেতে হবে। অনুবিভাগগুলো থেকে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ ফিডব্যাক পাওয়া গেলে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হবে। অর্থ বিভাগকে দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তির কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে দেশের স্বার্থে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান অর্থমন্ত্রী।

এছাড়াও, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, সরকার কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যেখানে পর্যটন উন্নয়ন হবে, সেখানে হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠতে হবে। পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করেই উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করতে হবে। কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের বড় পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ এগোচ্ছে এবং রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইডিএফ ঋণের মেয়াদ বাড়লো ২৭০ দিন, নতুন নীতিমালা জারি করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

বাজেটের সার্থকতা নির্ভর করে সফল বাস্তবায়নের ওপর: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:১৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সম্প্রতি প্রণীত বাজেটটি দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সমাদৃত ও প্রশংসিত হয়েছে। তবে বাজেট তৈরি ভালো হলেও এর প্রকৃত সার্থকতা নির্ভর করে সফল বাস্তবায়নের ওপর। অর্থ বিভাগের সকলের যৌথ প্রচেষ্টায় এই বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে আমলাতন্ত্র (Bureaucracy) নিয়ে বিদ্যমান নেতিবাচক ধারণা পরিবর্তনের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, গত চার মাসে তিনি অনুভব করেছেন যে সবাই মিলে কাজ করলে যেকোনো বাধা অতিক্রম করা সম্ভব। প্রচলিত পুরোনো ব্যবস্থা বা ধারার থেকে বেরিয়ে এসে পরিবর্তিত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সভাগুলোকে কেবল একমুখী না রেখে কর্মকর্তাদের মুক্ত ও স্বতঃস্ফূর্ত মতপ্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। মুক্ত আলোচনা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং প্রথাগত ভাবনার বাইরে গিয়ে উদ্ভাবনী উপায়ে (‘আউট অব দ্য বক্স’) কাজ করা প্রয়োজন। কাজের পরিবেশকে একটি পরিবারের মতো মনে করতে হবে। কেবল অভিযোগ না করে কাজের সুযোগ, নতুন ধারণা এবং সমস্যাগুলো সরাসরি উপস্থাপন করে সমাধানের দিকে যেতে হবে। অনুবিভাগগুলো থেকে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ ফিডব্যাক পাওয়া গেলে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হবে। অর্থ বিভাগকে দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তির কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে দেশের স্বার্থে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান অর্থমন্ত্রী।

এছাড়াও, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, সরকার কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যেখানে পর্যটন উন্নয়ন হবে, সেখানে হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠতে হবে। পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করেই উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করতে হবে। কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের বড় পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ এগোচ্ছে এবং রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে।