কথিত ‘সেফ এক্সিট’ বা নিরাপদে প্রস্থানের বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনো পক্ষেরই কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর এই সরকারকে সকলেই সমর্থন করছে। আমাদের বিশ্বাস, পরবর্তীতে যারা সরকার গঠন করবেন তারা সংসদের মাধ্যমে এই সরকারকে বৈধতা দেবেন। শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ময়মনসিংহ জেলা তাঁতী দলের উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে দুদু স্পষ্ট করে বলেন, ‘সেফ এক্সিট’ প্রসঙ্গে বিএনপির সাথে কেউই আলোচনা করেনি। তিনি মনে করেন, বর্তমান সরকারের যারা দায়িত্বে আছেন, পরবর্তী সরকার স্বাভাবিকভাবেই তাদের বিষয়ে একটু ভাববে। যদি আইনগত বৈধতা দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে পার্লামেন্টেই তা দেওয়া হবে। তিনি জানান, এরই মধ্যে ঐকমত্য কমিশনে আলোচনা হয়েছে এবং আগামী ১৫ অক্টোবর ‘জুলাই সনদে’ স্বাক্ষর সম্পন্ন হবে। এই স্বাক্ষরের মাধ্যমে সবাই একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ হবে।
তিনি যোগ করেন যে, ঐকমত্য কমিশনে আলোচনার ভিত্তিতেই আগামী ১৫ অক্টোবর জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর ফলস্বরূপ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একই ছাতার নিচে একত্রিত হবে।
গণতান্ত্রিক আন্দোলন প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর ধরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং শেখ হাসিনার পতনের লক্ষ্যে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তাকে শ্রদ্ধা জানাই এবং এই গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন ও আহত হয়েছেন তাদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করি।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এখনও সমাপ্ত হয়নি। একটি সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে জনমুখী সরকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম জারি থাকবে। দুদু আরও বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো দেশে-বিদেশে সক্রিয়, তাই জনগণের ঐক্যই বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনসহ দলের অন্যান্য স্তরের নেতাকর্মীরা।
রিপোর্টারের নাম 























