মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় শহীদদের প্রতি হৃদয়সিক্ত শ্রদ্ধাঞ্জলি, শোক প্রকাশ আর বেদনামথিত স্মৃতিচারণের মাধ্যমে এক বছর পূর্তি পালন করেছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। গত বছরের ২১ জুলাই এই স্কুল ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি এফ-৭ বিজিআই প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান নিয়মিত প্রশিক্ষণরত অবস্থায় বিধ্বস্ত হয়েছিল। বেদনাদায়ক এই দুর্ঘটনার এক বছর পূর্তিতে নিহত শহীদদের স্মরণ ও আহতদের প্রতি সমবেদনা জানাতে মাইলস্টোন কলেজ দুই দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করে।
মঙ্গলবার দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয় দিনের মূল কর্মসূচি। সকাল ১০টায় দুর্ঘটনারস্থল ডিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসের হায়দার আলী একাডেমিক ভবনের সামনে স্থাপিত বেদিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। হতাহতদের শ্রদ্ধা জানাতে বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, গার্লস গাইড, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে সশ্রদ্ধ সালাম জানানো হয়। এসময় শহীদদের স্মরণে এক মিনিটের নীরবতা পালন এবং দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও স্মরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাইলস্টোন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা কর্নেল নুরন নবী (অব.), অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, কলেজের উপাধ্যক্ষ (প্রশাসন) মো. মাসুদ আলম, মাইলস্টোন প্রিপারেটরি কেজি স্কুলের নির্বাহী অধ্যক্ষ মিসেস রিফাত নবী আলম এবং মাইলস্টোন স্কুল ডিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম খান।
দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান শুরু হয় বেলা তিনটায়। মাইলস্টোন কলেজের ডিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসের প্রধান সেমিনার হলে আয়োজিত হয় আলোচনা সভা, হতাহত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের স্মৃতিচারণ এবং দোয়া মাহফিল। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মো. মোস্তফা জামান এবং মাইলস্টোন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা কর্নেল নুরন নবী (অব.)।
অনুষ্ঠানে দুঃসহ দিনের কথা স্মরণ করে স্মৃতিচারণ করেন বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষিকা মেহেরীন চৌধুরীর স্বামী মনসুর হেলাল, নিহত শিক্ষার্থী তাসনিয়া হকের পিতা নাজমুল হক, আহত শিক্ষার্থী জাইয়ানা মাহবুবের মা সানজিদা বেলায়েত এবং আহত শিক্ষার্থী নাভিদ নাওয়াজ দীপ্তর বাবা মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শেষাংশে অনুষ্ঠিত দোয়ায় নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের দ্রুত সুস্থ্যতা কামনা করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 






















