সিএনজি বিক্রির ওপর মার্জিন বা কমিশন বাড়ানোর দাবিতে সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকেরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আন্দোলনের আলটিমেটাম ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
দাবি আদায় না হলে আগামী ৩০ জুলাই এক দিনের প্রতীকী ধর্মঘট হিসেবে সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখবে সিএনজি স্টেশন মালিকেরা। এরপরও কোনো সাড়া না পাওয়া গেলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে দেশব্যাপী অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন সিএনজি স্টেশনের মালিকরা। এদিন কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনোরঞ্জন ভক্ত, মহাসচিব ফারহান নূরসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিগত প্রায় ১১ বছর ধরে সিএনজি প্রতি ঘনমিটারে নির্ধারিত ৮ টাকা কমিশন অপরিবর্তিত রয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে দেশে মূল্যস্ফীতি, সরকারি ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংকের গ্যারান্টি কমিশন ও সুদ বৃদ্ধিসহ সামগ্রিক পরিচালন ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে। ফলে লোকসান গুনে সিএনজি স্টেশন পরিচালনা করা মালিকদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে সিএনজি ব্যবসায়ীদের অস্তিত্ব রক্ষার্থে সংবাদ সম্মেলনে সরকারের কাছে অনতিবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য চারটি দাবি তুলে ধরা হয়।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: সিএনজি কমিশন বর্তমানের ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ন্যূনতম ১৩.৯৬ টাকা নির্ধারণ করা; ভবিষ্যতে সিএনজি উৎপাদনে ব্যবহৃত যেকোনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হলে তা আনুপাতিক ও স্বয়ংক্রিয় পন্থায় কমিশন বা মার্জিনের সঙ্গে সমন্বয় করা; গ্যাসের দাম বাড়ার কারণে পুরোনো গ্রাহকদের কাছ থেকে নতুন করে বাড়তি জামানত জমা নেওয়ার প্রথা পুরোপুরি বাতিল করা; সড়ক ও জনপথের ভূমি বা সংযোগ সড়কের ইজারা মাশুলসহ সব সরকারি দপ্তরের লাইসেন্স ফি এবং নবায়ন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
রিপোর্টারের নাম 
























