ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামসহ দেশের সব কারাগারের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়নের নির্দেশ

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের সকল কেন্দ্রীয় ও জেলা কারাগারের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিরূপণের জন্য ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। বন্দি পলায়ন, বিদ্রোহ এবং বাহিরাক্রমণের মতো সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো নিরসনে বাস্তবসম্মত সুপারিশমালাও প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক (অপারেশনস) কর্নেল মেছবাইল আলম সেলিম স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এই তথ্য জানানো হয়। এই নির্দেশনা দেশের সকল কেন্দ্রীয় ও জেলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার, জেল সুপার, বিভাগীয় কারা উপমহাপরিদর্শক এবং কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কমান্ড্যান্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের কারা ব্যবস্থার সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে প্রতিটি কারাগারে একটি করে কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটিতে সিনিয়র জেল সুপার বা জেল সুপার, জেলার, ডেপুটি জেলারসহ সিভিল ও গার্ডিং স্টাফরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। কমিটিকে কারাগারের অভ্যন্তর ও বাইরের সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, যেমন – পেরিমিটার ওয়াল, বন্দী ভবন, ওয়ার্ড, ওয়াচ টাওয়ার, প্রধান ফটক, স্টোর, কারখানা, হাসপাতাল ইত্যাদি সরেজমিনে পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের সময় বন্দি পলায়ন, বিদ্রোহ, বাহিরাক্রমণসহ সম্ভাব্য সকল নিরাপত্তা ঝুঁকি সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হবে এবং প্রয়োজনে ছবি ও অন্যান্য প্রমাণ সংযুক্ত করতে হবে। প্রতিটি ঝুঁকির কারণ বিশ্লেষণ করে তা নিরসনে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশ প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরে একাধিক মামলার আসামি যুবলীগ নেতা নাঈম খান গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামসহ দেশের সব কারাগারের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়নের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০১:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের সকল কেন্দ্রীয় ও জেলা কারাগারের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিরূপণের জন্য ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। বন্দি পলায়ন, বিদ্রোহ এবং বাহিরাক্রমণের মতো সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো নিরসনে বাস্তবসম্মত সুপারিশমালাও প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক (অপারেশনস) কর্নেল মেছবাইল আলম সেলিম স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এই তথ্য জানানো হয়। এই নির্দেশনা দেশের সকল কেন্দ্রীয় ও জেলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার, জেল সুপার, বিভাগীয় কারা উপমহাপরিদর্শক এবং কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কমান্ড্যান্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের কারা ব্যবস্থার সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে প্রতিটি কারাগারে একটি করে কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটিতে সিনিয়র জেল সুপার বা জেল সুপার, জেলার, ডেপুটি জেলারসহ সিভিল ও গার্ডিং স্টাফরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। কমিটিকে কারাগারের অভ্যন্তর ও বাইরের সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, যেমন – পেরিমিটার ওয়াল, বন্দী ভবন, ওয়ার্ড, ওয়াচ টাওয়ার, প্রধান ফটক, স্টোর, কারখানা, হাসপাতাল ইত্যাদি সরেজমিনে পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের সময় বন্দি পলায়ন, বিদ্রোহ, বাহিরাক্রমণসহ সম্ভাব্য সকল নিরাপত্তা ঝুঁকি সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হবে এবং প্রয়োজনে ছবি ও অন্যান্য প্রমাণ সংযুক্ত করতে হবে। প্রতিটি ঝুঁকির কারণ বিশ্লেষণ করে তা নিরসনে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশ প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে।