ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ভারতের দিল্লিতে ‘তেলাপোকা’ পার্টির বিক্ষোভে সহিংসতা: আহত ১৭৮, আটক ৭০

ভারতের নতুন দিল্লিতে ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’ (সিজিপিআর) আয়োজিত ‘সংসদ চলো’ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। সোমবারের এই সংঘাতের ঘটনায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদেরসহ অন্তত ১১৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা সৃষ্টির অভিযোগে প্রায় ৭০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিক্ষোভকারীরা উচ্ছৃঙ্খল ও সহিংস আচরণ শুরু করেন। পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর পাথর ও বিভিন্ন বস্তু নিয়ে হামলা চালান। এ ছাড়া একাধিক বেরিকেড ভেঙে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়।

এই সহিংসতায় পুলিশের বিশেষ কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার, অতিরিক্ত কমিশনার, উপকমিশনারসহ শীর্ষপর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা এবং বেশ কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে প্রায় ৬০ জন বিক্ষোভকারীও আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

সহিংস বিক্ষোভকারীরা ১৫ থেকে ২০টি সরকারি গাড়ি সহ বিপুল পরিমাণ সরকারি ও সাধারণ সম্পত্তি ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ৭০ জনের বিরুদ্ধে দাঙ্গা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে আক্রমণ ও সরকারি সম্পত্তি বিনষ্টের অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক আইনে মামলা (এফআইআর) নথিভুক্ত করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে যে, সংঘাত ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরে একাধিক মামলার আসামি যুবলীগ নেতা নাঈম খান গ্রেপ্তার

ভারতের দিল্লিতে ‘তেলাপোকা’ পার্টির বিক্ষোভে সহিংসতা: আহত ১৭৮, আটক ৭০

আপডেট সময় : ১২:৩১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ভারতের নতুন দিল্লিতে ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’ (সিজিপিআর) আয়োজিত ‘সংসদ চলো’ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। সোমবারের এই সংঘাতের ঘটনায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদেরসহ অন্তত ১১৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা সৃষ্টির অভিযোগে প্রায় ৭০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিক্ষোভকারীরা উচ্ছৃঙ্খল ও সহিংস আচরণ শুরু করেন। পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর পাথর ও বিভিন্ন বস্তু নিয়ে হামলা চালান। এ ছাড়া একাধিক বেরিকেড ভেঙে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়।

এই সহিংসতায় পুলিশের বিশেষ কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার, অতিরিক্ত কমিশনার, উপকমিশনারসহ শীর্ষপর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা এবং বেশ কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে প্রায় ৬০ জন বিক্ষোভকারীও আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

সহিংস বিক্ষোভকারীরা ১৫ থেকে ২০টি সরকারি গাড়ি সহ বিপুল পরিমাণ সরকারি ও সাধারণ সম্পত্তি ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ৭০ জনের বিরুদ্ধে দাঙ্গা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে আক্রমণ ও সরকারি সম্পত্তি বিনষ্টের অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক আইনে মামলা (এফআইআর) নথিভুক্ত করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে যে, সংঘাত ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।