আসন্ন বাংলাদেশ সফরের জন্য শক্তিশালী ১৩ সদস্যের টেস্ট স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। দীর্ঘদিন পর চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন নিয়মিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, অভিজ্ঞ পেসার জশ হ্যাজলউড এবং তারকা অফ-স্পিনার নাথান লায়ন। এর ফলে অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত পেস-স্পিন জুটি কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, হ্যাজলউড ও লায়নকে আবারও একসঙ্গে মাঠে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা তাদের বোলিং আক্রমণকে আরও ধারালো করবে।
আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে এই সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হবে এবং ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে গড়াবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০০৩ সালের পর এই প্রথম অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, যা টাইগারদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
পিঠের চোটের কারণে কিছুদিন মাঠের বাইরে ছিলেন অধিনায়ক কামিন্স। অন্যদিকে, হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে ফিরেছেন লায়ন এবং গোড়ালির চোট থেকে সুস্থ হয়ে দলে জায়গা করে নিয়েছেন হ্যাজলউড। এই তিন সিনিয়র বোলারের প্রত্যাবর্তনে অস্ট্রালিয়ার বোলিং আক্রমণ আরও অভিজ্ঞ ও ভারসাম্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যা বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
দলে রয়েছেন স্টিভ স্মিথ, ট্রাভিস হেড, মার্নাস লাবুশেন, ক্যামেরন গ্রিন, বো ওয়েবস্টার, অ্যালেক্স কেয়ারি ও জশ ইংলিসের মতো অভিজ্ঞ ও কার্যকর ব্যাটসম্যান ও অলরাউন্ডাররা। তবে মূল স্কোয়াডে জায়গা হয়নি পেসার মাইকেল নেসারের, যিনি স্ট্যান্ডবাই হিসেবে দলের সঙ্গে থাকবেন।
বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সিরিজে ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে নিতে চাইবে অস্ট্রেলিয়া। অন্যদিকে, বিদেশের মাটিতে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো ফল করে নতুন ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য থাকবে বাংলাদেশের।
বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ১৩ সদস্যের টেস্ট স্কোয়াড:
প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), ট্রাভিস হেড, স্টিভ স্মিথ, মার্নাস লাবুশেন, জ্যাক ওয়েদারল্ড, ক্যামেরন গ্রিন, বো ওয়েবস্টার, অ্যালেক্স কেয়ারি (উইকেটরক্ষক), জশ ইংলিস (উইকেটরক্ষক), মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড, স্কট বোল্যান্ড ও নাথান লায়ন।
রিপোর্টারের নাম 

























