ঢাকা ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ঝিনাইদহে সাপের কামড়ে চা দোকানির মৃত্যু, ওঝার ঝাড়ফুঁকে সময় নষ্টের অভিযোগ

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় বিষধর সাপের কামড়ে ইসাহাক বিশ্বাস (৬৫) নামে এক চা দোকানির মৃত্যু হয়েছে। রোববার ভোরে উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের পাঁচপাখিয়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ইসাহাক ওই গ্রামেরই বাসিন্দা ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাতে নিজ ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় ইসাহাক বিশ্বাসের পায়ে একটি বিষধর সাপ দংশন করে। রাত ১০টার দিকে বিষয়টি টের পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত স্থানীয় এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। সেখানে দীর্ঘ সময় ঝাড়ফুঁক চললেও রোগীর অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। একপর্যায়ে ওঝা ব্যর্থতা স্বীকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

পরবর্তীতে রোববার সকালে তাকে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওঝার কাছে নিয়ে সময় নষ্ট না করে সরাসরি হাসপাতালে নিলে হয়তো তাকে বাঁচানো সম্ভব হতো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লিতে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর: নিট বিতর্ক ও কৃষকদের আন্দোলনে উত্তপ্ত রাজধানী

ঝিনাইদহে সাপের কামড়ে চা দোকানির মৃত্যু, ওঝার ঝাড়ফুঁকে সময় নষ্টের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় বিষধর সাপের কামড়ে ইসাহাক বিশ্বাস (৬৫) নামে এক চা দোকানির মৃত্যু হয়েছে। রোববার ভোরে উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের পাঁচপাখিয়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ইসাহাক ওই গ্রামেরই বাসিন্দা ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাতে নিজ ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় ইসাহাক বিশ্বাসের পায়ে একটি বিষধর সাপ দংশন করে। রাত ১০টার দিকে বিষয়টি টের পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত স্থানীয় এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। সেখানে দীর্ঘ সময় ঝাড়ফুঁক চললেও রোগীর অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। একপর্যায়ে ওঝা ব্যর্থতা স্বীকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

পরবর্তীতে রোববার সকালে তাকে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওঝার কাছে নিয়ে সময় নষ্ট না করে সরাসরি হাসপাতালে নিলে হয়তো তাকে বাঁচানো সম্ভব হতো।