ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনার সাফল্যের নেপথ্যে চার বন্ধুর ‘ম্যাজিক’

আধুনিক ফুটবলে কেবল পরিসংখ্যান আর কৌশলই সব নয়, এর বাইরেও থাকে আবেগ আর বন্ধুত্বের গল্প। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সাম্প্রতিক আকাশচুম্বী সাফল্যের পেছনে কাজ করছে এমনই এক অনন্য রসায়ন। লিওনেল স্কালোনি, পাবলো আইমার, রবার্তো আয়ালা ও ওয়াল্টার সামুয়েল—এই চার বন্ধুর সম্মিলিত প্রচেষ্টাই আলবিসেলেস্তেদের ফুটবলের মানচিত্রে নতুন করে রাজত্ব করার শক্তি জুগিয়েছে।

২০১৮ সালের বিশ্বকাপের ব্যর্থতার পর যখন আর্জেন্টিনার ফুটবল টালমাটাল, তখন অনেকটা চমক হিসেবেই স্কালোনিকে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়। শুরুতে সমালোচনা হলেও স্কালোনির বড় শক্তি ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের তিন সতীর্থ ও বন্ধু। এই চারজনের হাত ধরেই আর্জেন্টিনা ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এবার উত্তর আমেরিকায় চলমান বিশ্ব আসরেও দলটি ফাইনালে পৌঁছে হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন দেখছে।

দলের এই রূপান্তরের বিষয়ে প্রধান সহকারী কোচ পাবলো আইমার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, স্কালোনির সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো তিনি একটি দলের চেয়েও বড় একটি পরিবার তৈরি করতে পেরেছেন। যেখানে সবাই একই লক্ষ্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আইমার মনে করেন, খেলোয়াড়দের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি করা এবং ড্রেসিংরুমের পরিবেশ শান্ত রাখাটাই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

আইমারের মতে, তাঁদের চারজনের সম্পর্ক কেবল পেশাদার কোচিং স্টাফের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি গভীর বন্ধুত্বের। মাঠের ফলাফল সব সময় নিজেদের হাতে না থাকলেও, টুর্নামেন্ট চলাকালীন দীর্ঘ সময়গুলো আনন্দময় করে তোলা জরুরি। এই বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশই শেষ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের মাঠের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং আর্জেন্টিনাকে একের পর এক সাফল্য এনে দিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে অস্থিরতা, দাম কমেছে

আর্জেন্টিনার সাফল্যের নেপথ্যে চার বন্ধুর ‘ম্যাজিক’

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

আধুনিক ফুটবলে কেবল পরিসংখ্যান আর কৌশলই সব নয়, এর বাইরেও থাকে আবেগ আর বন্ধুত্বের গল্প। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সাম্প্রতিক আকাশচুম্বী সাফল্যের পেছনে কাজ করছে এমনই এক অনন্য রসায়ন। লিওনেল স্কালোনি, পাবলো আইমার, রবার্তো আয়ালা ও ওয়াল্টার সামুয়েল—এই চার বন্ধুর সম্মিলিত প্রচেষ্টাই আলবিসেলেস্তেদের ফুটবলের মানচিত্রে নতুন করে রাজত্ব করার শক্তি জুগিয়েছে।

২০১৮ সালের বিশ্বকাপের ব্যর্থতার পর যখন আর্জেন্টিনার ফুটবল টালমাটাল, তখন অনেকটা চমক হিসেবেই স্কালোনিকে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়। শুরুতে সমালোচনা হলেও স্কালোনির বড় শক্তি ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের তিন সতীর্থ ও বন্ধু। এই চারজনের হাত ধরেই আর্জেন্টিনা ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এবার উত্তর আমেরিকায় চলমান বিশ্ব আসরেও দলটি ফাইনালে পৌঁছে হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন দেখছে।

দলের এই রূপান্তরের বিষয়ে প্রধান সহকারী কোচ পাবলো আইমার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, স্কালোনির সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো তিনি একটি দলের চেয়েও বড় একটি পরিবার তৈরি করতে পেরেছেন। যেখানে সবাই একই লক্ষ্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আইমার মনে করেন, খেলোয়াড়দের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি করা এবং ড্রেসিংরুমের পরিবেশ শান্ত রাখাটাই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

আইমারের মতে, তাঁদের চারজনের সম্পর্ক কেবল পেশাদার কোচিং স্টাফের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি গভীর বন্ধুত্বের। মাঠের ফলাফল সব সময় নিজেদের হাতে না থাকলেও, টুর্নামেন্ট চলাকালীন দীর্ঘ সময়গুলো আনন্দময় করে তোলা জরুরি। এই বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশই শেষ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের মাঠের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং আর্জেন্টিনাকে একের পর এক সাফল্য এনে দিচ্ছে।