ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন

রুদ্ধশ্বাস এক ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্পেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলে তারা আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে। এই জয়ের ফলে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো ফুটবলের সবচেয়ে বড় ট্রফি জিতল লা রোহারা। অন্যদিকে, মেটলাইফ স্টেডিয়ামের আলো ঝলমলে রাতে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেন আধিপত্য বিস্তার করে খেলে। বলের নিয়ন্ত্রণ এবং খেলার ছন্দ ছিল তাদের হাতে। রদ্রি মাঝমাঠ থেকে একাই দলকে পরিচালনা করছিলেন। তিনি কখনও তৃতীয় সেন্টারব্যাক, কখনও গভীর প্লেমেকার, আবার কখনও আক্রমণের প্রথম প্রেসার ট্রিগার হিসেবে ভূমিকা পালন করছিলেন। লামিন ইয়ামাল ডান প্রান্তে বারবার আর্জেন্টিনার রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত রাখেন।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের ম্যাচটি গোলশূন্যভাবে শেষ হলেও, খেলার ধরণ মোটেও সমানতালে এগোয়নি। স্পেন শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত ফুটবল খেলেছে। তবে, ১০৫ মিনিট ধরে গোল করার অনেক সুযোগ তৈরি করেও ব্যর্থ হচ্ছিল স্পেন। বারবার তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। মনে হচ্ছিল, হয়তো এই রাতটা তাঁরই হয়ে থাকবে এবং দশ জনের দল নিয়েও আর্জেন্টিনা টাইব্রেকারে পৌঁছে যাবে।

কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে খেলার ভাগ্য নির্ধারণী গোলটি করেন ফেরান তোরেস। পেদ্রো পোরোর বাড়ানো বল হেডে নিকো উইলিয়ামস ফাঁকা জায়গায় নামিয়ে দিলে, তোরেসের ডান পায়ের জোরালো শট আর্জেন্টিনার জালে আশ্রয় নেয়। এই গোলটি ছিল তোরেসের জন্য এক ধরনের মুক্তি, কারণ ম্যানচেস্টার সিটি ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার পর থেকে তার ফিনিশিং নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছিল। বিশ্বকাপ ফাইনালে করা এই গোল হয়তো তার পুরো ক্যারিয়ারের সংজ্ঞাই বদলে দেবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাটহাজারীর আনন্দবাজার সেতু: দুই বছরেও শেষ হয়নি নির্মাণ, জনদুর্ভোগ চরমে

রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন

আপডেট সময় : ১১:৫৫:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

রুদ্ধশ্বাস এক ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্পেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলে তারা আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে। এই জয়ের ফলে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো ফুটবলের সবচেয়ে বড় ট্রফি জিতল লা রোহারা। অন্যদিকে, মেটলাইফ স্টেডিয়ামের আলো ঝলমলে রাতে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেন আধিপত্য বিস্তার করে খেলে। বলের নিয়ন্ত্রণ এবং খেলার ছন্দ ছিল তাদের হাতে। রদ্রি মাঝমাঠ থেকে একাই দলকে পরিচালনা করছিলেন। তিনি কখনও তৃতীয় সেন্টারব্যাক, কখনও গভীর প্লেমেকার, আবার কখনও আক্রমণের প্রথম প্রেসার ট্রিগার হিসেবে ভূমিকা পালন করছিলেন। লামিন ইয়ামাল ডান প্রান্তে বারবার আর্জেন্টিনার রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত রাখেন।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের ম্যাচটি গোলশূন্যভাবে শেষ হলেও, খেলার ধরণ মোটেও সমানতালে এগোয়নি। স্পেন শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত ফুটবল খেলেছে। তবে, ১০৫ মিনিট ধরে গোল করার অনেক সুযোগ তৈরি করেও ব্যর্থ হচ্ছিল স্পেন। বারবার তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। মনে হচ্ছিল, হয়তো এই রাতটা তাঁরই হয়ে থাকবে এবং দশ জনের দল নিয়েও আর্জেন্টিনা টাইব্রেকারে পৌঁছে যাবে।

কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে খেলার ভাগ্য নির্ধারণী গোলটি করেন ফেরান তোরেস। পেদ্রো পোরোর বাড়ানো বল হেডে নিকো উইলিয়ামস ফাঁকা জায়গায় নামিয়ে দিলে, তোরেসের ডান পায়ের জোরালো শট আর্জেন্টিনার জালে আশ্রয় নেয়। এই গোলটি ছিল তোরেসের জন্য এক ধরনের মুক্তি, কারণ ম্যানচেস্টার সিটি ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার পর থেকে তার ফিনিশিং নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছিল। বিশ্বকাপ ফাইনালে করা এই গোল হয়তো তার পুরো ক্যারিয়ারের সংজ্ঞাই বদলে দেবে।