ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

তিন যুগে ‘চাঁদনী’: আবেগঘন স্মৃতিচারণে নাঈম-শাবনাজ

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় ও সফল জুটি নাঈম-শাবনাজ। ১৯৯১ সালের ২ অক্টোবর প্রখ্যাত নির্মাতা এহতেশামুর রহমানের হাত ধরে ‘চাঁদনী’ সিনেমার মাধ্যমে রূপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে তাদের। আজ সেই কালজয়ী সিনেমাটি মুক্তির ৩৬ বছর পূর্ণ করে তিন যুগে পদার্পণ করছে। এই বিশেষ মুহূর্তটি নিয়ে নাঈম ও শাবনাজ তাদের স্মৃতি ও বর্তমান জীবন নিয়ে কথা বলেছেন।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অভিনেতা নাঈম বলেন, আমাদের পথপ্রদর্শক এহতেশাম সাহেব আজ বেঁচে নেই, তবে তাকে আমরা প্রতিনিয়ত অনুভব করি। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তার অবদান অনস্বীকার্য। তিন দশক পার হলেও দর্শকদের ভালোবাসা আমাদের সিক্ত করে। বর্তমানে আমরা দুই মেয়ে নামিরা ও মাহাদিয়াকে নিয়ে বেশ ভালো আছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে তিনি আমাদের সুস্থ রেখেছেন। সবার কাছে আমাদের আগামীর দিনগুলোর জন্য দোয়া চাই।

অভিনেত্রী শাবনাজ বলেন, যদিও আমরা এখন অভিনয় থেকে দূরে, তবুও চলচ্চিত্র জগতকে আমরা নিজেদের পরিবারের মতোই মনে করি। এই সিনেমার মাধ্যমেই আমরা একে অপরের সান্নিধ্যে এসেছিলাম এবং একটি সুখী জীবন গড়ে তুলেছি। ৩৬ বছর কীভাবে কেটে গেল তা অনুভবই করা যায় না। নাঈমের মতো একজন জীবনসঙ্গী পাওয়া আমার জন্য বড় পাওয়া। উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে ‘চাঁদনী’, ‘সোনিয়া’, ‘দিল’, ‘লাভ’সহ বেশ কিছু ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন এই জুটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের গুলিতে নিহত পুলিশপুত্র ইমাম হাসান, ‘একজনকে মারতে কতগুলো গুলি লাগে স্যার?’

তিন যুগে ‘চাঁদনী’: আবেগঘন স্মৃতিচারণে নাঈম-শাবনাজ

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় ও সফল জুটি নাঈম-শাবনাজ। ১৯৯১ সালের ২ অক্টোবর প্রখ্যাত নির্মাতা এহতেশামুর রহমানের হাত ধরে ‘চাঁদনী’ সিনেমার মাধ্যমে রূপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে তাদের। আজ সেই কালজয়ী সিনেমাটি মুক্তির ৩৬ বছর পূর্ণ করে তিন যুগে পদার্পণ করছে। এই বিশেষ মুহূর্তটি নিয়ে নাঈম ও শাবনাজ তাদের স্মৃতি ও বর্তমান জীবন নিয়ে কথা বলেছেন।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অভিনেতা নাঈম বলেন, আমাদের পথপ্রদর্শক এহতেশাম সাহেব আজ বেঁচে নেই, তবে তাকে আমরা প্রতিনিয়ত অনুভব করি। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তার অবদান অনস্বীকার্য। তিন দশক পার হলেও দর্শকদের ভালোবাসা আমাদের সিক্ত করে। বর্তমানে আমরা দুই মেয়ে নামিরা ও মাহাদিয়াকে নিয়ে বেশ ভালো আছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে তিনি আমাদের সুস্থ রেখেছেন। সবার কাছে আমাদের আগামীর দিনগুলোর জন্য দোয়া চাই।

অভিনেত্রী শাবনাজ বলেন, যদিও আমরা এখন অভিনয় থেকে দূরে, তবুও চলচ্চিত্র জগতকে আমরা নিজেদের পরিবারের মতোই মনে করি। এই সিনেমার মাধ্যমেই আমরা একে অপরের সান্নিধ্যে এসেছিলাম এবং একটি সুখী জীবন গড়ে তুলেছি। ৩৬ বছর কীভাবে কেটে গেল তা অনুভবই করা যায় না। নাঈমের মতো একজন জীবনসঙ্গী পাওয়া আমার জন্য বড় পাওয়া। উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে ‘চাঁদনী’, ‘সোনিয়া’, ‘দিল’, ‘লাভ’সহ বেশ কিছু ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন এই জুটি।