ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ইরাকে ইরানি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে মার্কিন সেনা নিহত, বাড়ছে উত্তেজনা

ইরাকের উত্তরাঞ্চলে ভূপাতিত একটি ইরানি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করার সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণে এক মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন সেনাসদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। গত ১৮ জুলাইয়ের এই ঘটনাটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনারই একটি অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি নিরাপদ করার চেষ্টার সময় এটি হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। তবে নিহত সেনার নাম ও পরিচয় নিরাপত্তার স্বার্থে প্রকাশ করা হয়নি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ বাহিনীর মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোট ১৭ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। এর আগে জর্ডানে ইরানি হামলায় আরও দুই মার্কিন সেনা নিহতের খবর পাওয়া গিয়েছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে ইরানের তৈরি সাশ্রয়ী ও শক্তিশালী ‘শাহেদ’ ড্রোনগুলো মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র ৩০ হাজার ডলার মূল্যের এই ড্রোনগুলো ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্রকে কয়েক মিলিয়ন ডলারের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা সামরিক ব্যয়ের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের চাপে ফেলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লিতে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর: নিট বিতর্ক ও কৃষকদের আন্দোলনে উত্তপ্ত রাজধানী

ইরাকে ইরানি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে মার্কিন সেনা নিহত, বাড়ছে উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ইরাকের উত্তরাঞ্চলে ভূপাতিত একটি ইরানি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করার সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণে এক মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন সেনাসদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। গত ১৮ জুলাইয়ের এই ঘটনাটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনারই একটি অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি নিরাপদ করার চেষ্টার সময় এটি হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। তবে নিহত সেনার নাম ও পরিচয় নিরাপত্তার স্বার্থে প্রকাশ করা হয়নি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ বাহিনীর মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোট ১৭ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। এর আগে জর্ডানে ইরানি হামলায় আরও দুই মার্কিন সেনা নিহতের খবর পাওয়া গিয়েছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে ইরানের তৈরি সাশ্রয়ী ও শক্তিশালী ‘শাহেদ’ ড্রোনগুলো মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র ৩০ হাজার ডলার মূল্যের এই ড্রোনগুলো ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্রকে কয়েক মিলিয়ন ডলারের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা সামরিক ব্যয়ের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের চাপে ফেলেছে।