রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ হত্যা মামলায় ২১ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পিছিয়ে আগামী ২৭ জুলাই নির্ধারণ করেছেন আদালত।
রবিবার (১৯ জুলাই) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী এ এস এম শাহাদাৎ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিন দুজন সাক্ষীর আদালতে উপস্থিত হতে না পারায় সাক্ষ্যগ্রহণ সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ৯ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন। এর আগে গত রবিবার একই আদালত থেকে এসব আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়েছিল।
বর্তমানে এই মামলায় মাহমুদ হাসান মাহিন ওরফে মাহমুদুল হাসান (মহিন), মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. নানু কাজী, মো. রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম ও মো. সাগর কারাগারে রয়েছেন। এছাড়া মো. রুমান ব্যাপারী, মো. আবির হোসেন, মো. পারভেজ ও সজীব ব্যাপারী উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করেছেন। জহিরুল, মো. ইমরান, মো. শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, মো. জিয়াউদ্দিন রাজীব, মো. হোসেন চৌকিদার, মো. সারোয়ার হোসেন টিটু, মো. মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন এবং অপু দাস পলাতক রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে একদল ব্যক্তি ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে এলোপাতাড়ি পাথর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনার পরদিন নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যেখানে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।
ঘটনার প্রায় ছয় মাস তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন কোতোয়ালি থানার (বর্তমানে শাহবাগ থানায় কর্মরত) তৎকালীন ওসি মো. মনিরুজ্জামান। একই সময়ে অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় ১০ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। তবে তদন্তে ত্রুটি রয়েছে উল্লেখ করে আদালত পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। চলতি বছরের ১০ মে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ পুনঃ তদন্ত শেষে ২১ জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র জমা দেন।
রিপোর্টারের নাম 

























