ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

কল্যাণপুরে যুবক হত্যা: দুই ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর কল্যাণপুরে প্রায় দুই দশক আগে ছিনতাইয়ের সময় শফিকুল আলম ওরফে শফিক নামে এক যুবককে হত্যার দায়ে দুই ছিনতাইকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. সোহেল রানা ওরফে কালু ও মো. নাজিম উদ্দিন।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, আসামিরা পেশাদার অপরাধী এবং একজন শিক্ষিত যুবককে নির্মমভাবে হত্যার অপরাধে তারা সর্বোচ্চ শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২২ জুন ভোরে কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে নামার পর ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন শফিক। তার কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার সময় বাধা দিলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণের ভিত্তিতে আদালত এই রায় প্রদান করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ ঘোষণা বাস্তবায়নে ঝালকাঠিতে রথযাত্রায় গাছের চারা বিতরণ

কল্যাণপুরে যুবক হত্যা: দুই ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ১০:৩৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর কল্যাণপুরে প্রায় দুই দশক আগে ছিনতাইয়ের সময় শফিকুল আলম ওরফে শফিক নামে এক যুবককে হত্যার দায়ে দুই ছিনতাইকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. সোহেল রানা ওরফে কালু ও মো. নাজিম উদ্দিন।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, আসামিরা পেশাদার অপরাধী এবং একজন শিক্ষিত যুবককে নির্মমভাবে হত্যার অপরাধে তারা সর্বোচ্চ শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২২ জুন ভোরে কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে নামার পর ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন শফিক। তার কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার সময় বাধা দিলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণের ভিত্তিতে আদালত এই রায় প্রদান করেন।