ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

এস আলম ও পিকে হালদারের ঋণ জালিয়াতি মামলা: ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ

ক্ষমতার অপব্যবহার ও ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম এবং প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। রোববার ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আসাদুল আজাদের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে এ মামলায় মোট ১১ জনের জবানবন্দি সম্পন্ন হলো।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন সাক্ষীর জবানবন্দি শেষে কারাগারে থাকা আসামি রাশেদুল হকের পক্ষে জেরা সম্পন্ন হয়। তবে অন্য আসামি নাহিদা রুনাইয়ের পক্ষে সময়ের আবেদন করায় আদালত আগামী ৯ আগস্ট পরবর্তী জেরা ও তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য শেষ হলেই এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বের সমাপ্তি ঘটবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালে ‘মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোং’ নামক একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে সাড়ে ৩২ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করিয়ে তা আত্মসাৎ করেন। পরবর্তীতে সেই অর্থ ‘এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড’-এ স্থানান্তর করা হয়। এই জালিয়াতির ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করে, যার প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ ঘোষণা বাস্তবায়নে ঝালকাঠিতে রথযাত্রায় গাছের চারা বিতরণ

এস আলম ও পিকে হালদারের ঋণ জালিয়াতি মামলা: ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

ক্ষমতার অপব্যবহার ও ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম এবং প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। রোববার ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আসাদুল আজাদের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে এ মামলায় মোট ১১ জনের জবানবন্দি সম্পন্ন হলো।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন সাক্ষীর জবানবন্দি শেষে কারাগারে থাকা আসামি রাশেদুল হকের পক্ষে জেরা সম্পন্ন হয়। তবে অন্য আসামি নাহিদা রুনাইয়ের পক্ষে সময়ের আবেদন করায় আদালত আগামী ৯ আগস্ট পরবর্তী জেরা ও তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য শেষ হলেই এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বের সমাপ্তি ঘটবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালে ‘মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোং’ নামক একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে সাড়ে ৩২ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করিয়ে তা আত্মসাৎ করেন। পরবর্তীতে সেই অর্থ ‘এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড’-এ স্থানান্তর করা হয়। এই জালিয়াতির ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করে, যার প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।