ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

মহারাষ্ট্রে বন্যায় ১০ লাখ গণেশ মূর্তি ধ্বংস: চরম ক্ষতির মুখে ভারতীয় কারিগররা

ভারতের মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলায় ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে ধ্বংস হয়ে গেছে প্রায় ১০ লাখ মাটির গণেশ মূর্তি। আসন্ন গণেশ চতুর্থী উৎসবের আগে এমন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় হাজার হাজার ভাস্কর ও মূর্তি নির্মাতা। কয়েক মাসের হাড়ভাঙা খাটুনি আর পুঁজি হারিয়ে এখন তারা নিঃস্ব প্রায়।

রায়গড় জেলার প্রায় ২০ হাজার কর্মশালায় প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ মূর্তি তৈরি করা হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এবারের বন্যায় কয়েক হাজার কর্মশালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে প্রায় ৩৫০ কোটি রুপির এই শিল্পে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেক কারিগর তাদের অর্ডার করা মূর্তি সরবরাহ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ শুরু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কারিগরদের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে উৎসবের আগ মুহূর্তে এই বিশাল ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ ঘোষণা বাস্তবায়নে ঝালকাঠিতে রথযাত্রায় গাছের চারা বিতরণ

মহারাষ্ট্রে বন্যায় ১০ লাখ গণেশ মূর্তি ধ্বংস: চরম ক্ষতির মুখে ভারতীয় কারিগররা

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ভারতের মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলায় ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে ধ্বংস হয়ে গেছে প্রায় ১০ লাখ মাটির গণেশ মূর্তি। আসন্ন গণেশ চতুর্থী উৎসবের আগে এমন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় হাজার হাজার ভাস্কর ও মূর্তি নির্মাতা। কয়েক মাসের হাড়ভাঙা খাটুনি আর পুঁজি হারিয়ে এখন তারা নিঃস্ব প্রায়।

রায়গড় জেলার প্রায় ২০ হাজার কর্মশালায় প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ মূর্তি তৈরি করা হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এবারের বন্যায় কয়েক হাজার কর্মশালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে প্রায় ৩৫০ কোটি রুপির এই শিল্পে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেক কারিগর তাদের অর্ডার করা মূর্তি সরবরাহ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ শুরু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কারিগরদের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে উৎসবের আগ মুহূর্তে এই বিশাল ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।