ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে ভুয়া বিয়ের হলফনামা (কোর্ট ম্যারেজ) তৈরির অভিযোগে একটি চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির ঘটনা ফাঁস হয়েছে। এই চক্রটি শুধু স্বাক্ষর জালিয়াতিই করেনি, বরং সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটকে বিবাদী করে পাল্টা মামলার অপচেষ্টাও চালিয়েছিল। এই ঘটনায় বরগুনার একজন আইনজীবীসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই ১১ নম্বর আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম একটি বিয়ের হলফনামা যাচাইয়ের নির্দেশ দিলে জালিয়াতির বিষয়টি সামনে আসে। আদালতের মূল রেজিস্টার খাতা পরীক্ষা করে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট স্মারক নম্বরের বিপরীতে ওই বিয়ের কোনো তথ্য নিবন্ধিত নেই। মূলত জালিয়াতির উদ্দেশ্যে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এই ভুয়া অ্যাফিডেভিট তৈরি করে তাতে বিচারকের ভুয়া কাউন্টার সাইন বসানো হয়েছিল।
তদন্তে আরও বেরিয়ে আসে যে, এই ভুয়া হলফনামাটি ব্যবহার করে আসামিরা বরগুনার বামনা আমলি আদালতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলামসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি মিথ্যা সিআর মামলা দায়েরের চেষ্টা চালায়। তবে সংশ্লিষ্ট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নথিপত্রের অসঙ্গতি ও জালিয়াতি বুঝতে পেরে মামলাটি খারিজ করে দেন।
মামলার আসামিরা হলেন—বরগুনার মো. নয়ন, মোছা. রিমা এবং জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. তরিকুল ইসলাম (তরণ) ফরাজী। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে এতে আসামি করা হয়েছে। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের নেজারত বিভাগের অফিস সহকারী মো. খালিদ হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















