ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

মালয়েশিয়ার আটককেন্দ্রে আড়াই বছরে ১৪০ অভিবাসীর মৃত্যু, অমানবিক পরিবেশের অভিযোগ

মালয়েশিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রগুলোতে গত আড়াই বছরে অন্তত ১৪০ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ফোর্টিফাই রাইটস। সংস্থাটির দাবি, অতিরিক্ত ভিড়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং যথাযথ চিকিৎসার অভাবেই এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটির আটককেন্দ্রগুলোতে মোট ৪৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৩৯৩ জন পুরুষ, ৬০ জন নারী এবং ১২ জন শিশু রয়েছে। ২০২৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর এই হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বর্তমানে দেশটির আটককেন্দ্রগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি অভিবাসী গাদাগাদি করে থাকছেন, যা রোগ বিস্তারের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাবেক আটক ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে জানা গেছে, অসুস্থ হলেও অনেক সময় তাদের চিকিৎসা দেওয়া হতো না। এমনকি চিকিৎসার দাবি জানালে শাস্তির সম্মুখীন হতে হতো বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে শুধু প্যারাসিটামল দিয়ে দায়িত্ব শেষ করা হতো এবং গুরুতর অবস্থা না হওয়া পর্যন্ত কাউকে হাসপাতালে নেওয়া হতো না। মানবাধিকার সংস্থাটি এই মৃত্যুর ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু ও স্বাধীন তদন্তের জন্য মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাকার হ্যাটট্রিকে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপে তৃতীয় ইংল্যান্ড, তৃপ্ত টুখেল

মালয়েশিয়ার আটককেন্দ্রে আড়াই বছরে ১৪০ অভিবাসীর মৃত্যু, অমানবিক পরিবেশের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:১৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

মালয়েশিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রগুলোতে গত আড়াই বছরে অন্তত ১৪০ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ফোর্টিফাই রাইটস। সংস্থাটির দাবি, অতিরিক্ত ভিড়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং যথাযথ চিকিৎসার অভাবেই এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটির আটককেন্দ্রগুলোতে মোট ৪৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৩৯৩ জন পুরুষ, ৬০ জন নারী এবং ১২ জন শিশু রয়েছে। ২০২৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর এই হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বর্তমানে দেশটির আটককেন্দ্রগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি অভিবাসী গাদাগাদি করে থাকছেন, যা রোগ বিস্তারের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাবেক আটক ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে জানা গেছে, অসুস্থ হলেও অনেক সময় তাদের চিকিৎসা দেওয়া হতো না। এমনকি চিকিৎসার দাবি জানালে শাস্তির সম্মুখীন হতে হতো বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে শুধু প্যারাসিটামল দিয়ে দায়িত্ব শেষ করা হতো এবং গুরুতর অবস্থা না হওয়া পর্যন্ত কাউকে হাসপাতালে নেওয়া হতো না। মানবাধিকার সংস্থাটি এই মৃত্যুর ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু ও স্বাধীন তদন্তের জন্য মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।