ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

মানবিক কারণে গাজাবাসীর প্রার্থনা এখন স্পেনের জন্য

ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে পুরো বিশ্ব যখন দুই ভাগে বিভক্ত, তখন ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার চিত্রটি ভিন্ন। আসন্ন ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হলেও গাজার অধিকাংশ ফুটবলপ্রেমী মনেপ্রাণে স্পেনের জয় চাইছেন। এর পেছনে ফুটবলের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে স্পেনের রাজনৈতিক ও মানবিক অবস্থান।

চলতি বছরের মে মাসে স্পেন আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ায় গাজাবাসীর হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে দেশটি। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের সেই সিদ্ধান্ত এবং গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর দাবি ফিলিস্তিনিদের জন্য বড় এক স্বস্তি হিসেবে এসেছিল। এছাড়া স্পেন দলের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল এবং পেপ গার্দিওলার মতো ব্যক্তিত্বদের ফিলিস্তিন সংহতি গাজাবাসীর ফুটবল উন্মাদনাকে আবেগে রূপ দিয়েছে।

গাজার পঙ্গু ফুটবল দলের কোচ হাতেম আল মাগরিবি জানান, ফিলিস্তিনিরা সেই সব মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ যারা বিপদে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। স্পেন তাদের অন্যতম বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে, তাই পুরো ফিলিস্তিন এখন স্পেনের শিরোপা জয়ের অপেক্ষায়। এমনকি যুদ্ধের বিভীষিকা আর বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটের মাঝেও মানুষ জেনারেটর চালিয়ে বা ছোট স্ক্রিনে খেলা দেখার চেষ্টা করছেন।

ইসরাইলি হামলার কারণে গাজার ক্রীড়া অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেলেও প্যালেস্টাইন স্পোর্টস ক্লাবে বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রদর্শনী ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। যুদ্ধের ভয়াবহতার মাঝেও স্পেনের প্রতি এই সমর্থন প্রমাণ করে যে, ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি সংহতি প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন

মানবিক কারণে গাজাবাসীর প্রার্থনা এখন স্পেনের জন্য

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে পুরো বিশ্ব যখন দুই ভাগে বিভক্ত, তখন ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার চিত্রটি ভিন্ন। আসন্ন ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হলেও গাজার অধিকাংশ ফুটবলপ্রেমী মনেপ্রাণে স্পেনের জয় চাইছেন। এর পেছনে ফুটবলের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে স্পেনের রাজনৈতিক ও মানবিক অবস্থান।

চলতি বছরের মে মাসে স্পেন আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ায় গাজাবাসীর হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে দেশটি। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের সেই সিদ্ধান্ত এবং গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর দাবি ফিলিস্তিনিদের জন্য বড় এক স্বস্তি হিসেবে এসেছিল। এছাড়া স্পেন দলের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল এবং পেপ গার্দিওলার মতো ব্যক্তিত্বদের ফিলিস্তিন সংহতি গাজাবাসীর ফুটবল উন্মাদনাকে আবেগে রূপ দিয়েছে।

গাজার পঙ্গু ফুটবল দলের কোচ হাতেম আল মাগরিবি জানান, ফিলিস্তিনিরা সেই সব মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ যারা বিপদে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। স্পেন তাদের অন্যতম বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে, তাই পুরো ফিলিস্তিন এখন স্পেনের শিরোপা জয়ের অপেক্ষায়। এমনকি যুদ্ধের বিভীষিকা আর বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটের মাঝেও মানুষ জেনারেটর চালিয়ে বা ছোট স্ক্রিনে খেলা দেখার চেষ্টা করছেন।

ইসরাইলি হামলার কারণে গাজার ক্রীড়া অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেলেও প্যালেস্টাইন স্পোর্টস ক্লাবে বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রদর্শনী ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। যুদ্ধের ভয়াবহতার মাঝেও স্পেনের প্রতি এই সমর্থন প্রমাণ করে যে, ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, এটি সংহতি প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম।