ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ঈশ্বরদীতে কাঁচামরিচের দামে আগুন: এক সপ্তাহে তিনগুণ বৃদ্ধি, ভোগান্তিতে ক্রেতারা

পাবনার ঈশ্বরদীতে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। টানা বৃষ্টিতে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে বলে বিক্রেতারা দাবি করছেন। এতে সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও হাটে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাত্র এক সপ্তাহ আগেও কাঁচামরিচ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক টানা বর্ষণে নিচু এলাকার ফসলি জমিতে পানি জমে কাঁচামরিচের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রতিদিনই এর দাম বাড়ছে। শনিবার কাঁচামরিচ ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও, রোববার নীলফামারীর ডোমার থেকে আসা কাঁচামরিচ ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়ীয়া বাজারের এক সবজি বিক্রেতা জানান, বৃষ্টির কারণে কৃষকরা খেত থেকে মরিচ তুলতে পারছেন না, যা দাম বাড়ার প্রধান কারণ। ছলিমপুর ইউনিয়নের জয়নগর বোর্ড অফিস হাটের সবজি বিক্রেতা আসাদুল হকও একই কথা জানান। তিনি বলেন, সরবরাহ সংকটের কারণেই দাম এমন বেড়েছে।

এদিকে, কাঁচামরিচের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জয়নগর বোর্ড অফিস হাটের ক্রেতা হেলাল আলী বলেন, ‘সরবরাহ সংকটের অজুহাতে হঠাৎ করেই কাঁচামরিচের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক মরিচ কিনেই বাড়ি ফিরতে হয়েছে।’

কাঁচামরিচ ছাড়াও কচু ও বেগুনের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া কচু এখন ৫০ টাকা এবং ৫০ টাকার বেগুন ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে আলু ২৫ টাকা, পেঁয়াজ ৩৫ টাকা, পটল ৩০ টাকা, ঝিঙে ৩০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৩০ টাকা এবং শসা ৬০ টাকা কেজি দরে স্বাভাবিক মূল্যেই বিক্রি হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীর প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

ঈশ্বরদীতে কাঁচামরিচের দামে আগুন: এক সপ্তাহে তিনগুণ বৃদ্ধি, ভোগান্তিতে ক্রেতারা

আপডেট সময় : ০২:৫১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

পাবনার ঈশ্বরদীতে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। টানা বৃষ্টিতে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে বলে বিক্রেতারা দাবি করছেন। এতে সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও হাটে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাত্র এক সপ্তাহ আগেও কাঁচামরিচ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক টানা বর্ষণে নিচু এলাকার ফসলি জমিতে পানি জমে কাঁচামরিচের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রতিদিনই এর দাম বাড়ছে। শনিবার কাঁচামরিচ ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও, রোববার নীলফামারীর ডোমার থেকে আসা কাঁচামরিচ ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়ীয়া বাজারের এক সবজি বিক্রেতা জানান, বৃষ্টির কারণে কৃষকরা খেত থেকে মরিচ তুলতে পারছেন না, যা দাম বাড়ার প্রধান কারণ। ছলিমপুর ইউনিয়নের জয়নগর বোর্ড অফিস হাটের সবজি বিক্রেতা আসাদুল হকও একই কথা জানান। তিনি বলেন, সরবরাহ সংকটের কারণেই দাম এমন বেড়েছে।

এদিকে, কাঁচামরিচের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জয়নগর বোর্ড অফিস হাটের ক্রেতা হেলাল আলী বলেন, ‘সরবরাহ সংকটের অজুহাতে হঠাৎ করেই কাঁচামরিচের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক মরিচ কিনেই বাড়ি ফিরতে হয়েছে।’

কাঁচামরিচ ছাড়াও কচু ও বেগুনের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া কচু এখন ৫০ টাকা এবং ৫০ টাকার বেগুন ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে আলু ২৫ টাকা, পেঁয়াজ ৩৫ টাকা, পটল ৩০ টাকা, ঝিঙে ৩০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৩০ টাকা এবং শসা ৬০ টাকা কেজি দরে স্বাভাবিক মূল্যেই বিক্রি হচ্ছে।