সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে খেজুরের রস বিক্রেতা জাহাঙ্গীর শেখ হত্যা মামলায় এক পরিবারের পাঁচ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক দণ্ডপ্রাপ্তকে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আরও পাঁচ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ-১ম আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন রায়গঞ্জ উপজেলার তেবাড়িয়া গ্রামের সুজাত আলী ওরফে টুক্কা, তার স্ত্রী সেলিনা খাতুন, তাদের মেয়ে ফাতেমা খাতুন, সলঙ্গা থানার দেওভোগ গ্রামের কাদের খন্দকারের ছেলে হায়দার আলী এবং একই গ্রামের সেলিমের স্ত্রী হোসনে আরা খাতুন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার হাসনা গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর শেখ পেশায় খেজুরের রস বিক্রেতা ছিলেন। রস সংগ্রহ ও বিক্রির সূত্র ধরে রায়গঞ্জ উপজেলায় আসামি সুজাত আলী ওরফে টুক্কার সাথে তার পরিচয় হয় এবং একপর্যায়ে টুক্কার বাড়িতেই তিনি বসবাস শুরু করেন। এই সময়ে টুক্কার মেয়ে ফাতেমার সাথে জাহাঙ্গীরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল জাহাঙ্গীরের স্ত্রীর কাছে খবর আসে যে তার স্বামীকে খুন করে লাশ ফেলে রাখা হয়েছে।
এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মায়া খাতুন বাদী হয়ে সুজাত আলী ওরফে টুক্কাসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে সলঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে সিরাজগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ৫ মে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ। দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষে সোমবার আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
রিপোর্টারের নাম 
























