নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের একটি পোশাকের দোকান থেকে শুরু করে টেক্সাসের হাসপাতালের চিকিৎসক, কিংবা চট্টগ্রাম বন্দরে আসা মার্কিন তুলা থেকে বোস্টনের গবেষণাগারে যোগ দেওয়া বাংলাদেশি গবেষক—এগুলো আপাতদৃষ্টিতে বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে হলেও, আদতে এ সবই বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গভীর ও বিস্তৃত সম্পর্কের প্রতিচ্ছবি। এই সম্পর্ক কেবল রাষ্ট্রপ্রধানদের আনুষ্ঠানিক বৈঠক বা কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষ, বাজার, প্রযুক্তি, শিক্ষা, বিনিয়োগ, অভিবাসন এবং ধারণার আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে এটি প্রতিনিয়ত নতুন মাত্রা পাচ্ছে।
একসময় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক মূলত খাদ্য সহায়তা ও উন্নয়ন সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাপ্লাই চেইন, উচ্চপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, জলবায়ু অভিযোজন, স্টার্টআপ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের মতো আধুনিক ও জটিল বিষয়গুলোতে বিস্তৃত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি বাংলাদেশের জন্য নিছকই একটি কূটনৈতিক উদযাপন নয়, বরং পাঁচ দশকের এই সম্পর্ককে নতুন করে মূল্যায়ন করার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এনে দিয়েছে।
এই মুহূর্তে প্রশ্ন জাগে: আমরা কোথা থেকে শুরু করেছিলাম? এই দীর্ঘ যাত্রায় কী কী অর্জন করেছি? কোথায় এখনো মতপার্থক্য রয়ে গেছে? এবং আগামী পঁচিশ বছরে দুই দেশের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনাগুলো কোথায় নিহিত? ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণা কেবল একটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম দেয়নি, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন চিন্তাধারার সূচনা করেছিল। আড়াই শতকে দেশটি বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি, উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দু, বৈজ্ঞানিক গবেষণার অগ্রণী শক্তি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























