নিজস্ব প্রতিবেদক, ১৩ জুলাই ২০২৬
সৌদি আরবের পর্যটন মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের জন্য একটি নতুন ও সহজ ‘প্যাকেজ ভিসা’ কর্মসূচি চালু করেছে। প্রথম ধাপে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিশর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া ও মেক্সিকোর নাগরিকরা এই বিশেষ সুবিধা পাবেন। সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পর্যটন খাতের প্রসারে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন ভিসার প্রধান বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা
নতুন এই কর্মসূচির ফলে পর্যটকদের আলাদা করে ভিসার জন্য দৌড়ঝাঁপ করতে হবে না। অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ভ্রমণ প্যাকেজ কেনার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ই-মেইলের মাধ্যমে ভিসা ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পাওয়া যাবে।
প্যাকেজের মূল উপাদানসমূহ:
- সমন্বিত সেবা: বিমান টিকেট (রাউন্ড-ট্রিপ), চার তারকা বা তার বেশি মানের হোটেল এবং ই-ভিসা—সবই এখন একটি প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত।
- ভিসার মেয়াদ: এটি সিঙ্গেল-এন্ট্রি বা একবার প্রবেশের সুযোগসহ ট্যুরিস্ট ভিসা, যার মেয়াদ ৩ মাস।
- অবস্থান: সৌদি আরবে ন্যূনতম ২ দিন থেকে সর্বোচ্চ ৮৮ দিন পর্যন্ত অবস্থান করা যাবে।
প্যাকেজের খরচ ও শর্তাবলী
| সেবার ধরন | বিবরণ |
| ন্যূনতম প্যাকেজ মূল্য | প্রথম ২ দিনের জন্য ৪,০০০ সৌদি রিয়াল |
| অতিরিক্ত দিন | প্রতি দিনের জন্য ১,০০০ সৌদি রিয়াল অতিরিক্ত যোগ হবে |
| ওমরাহ সেবা | এই প্যাকেজে ওমরাহ পালনের কোনো সেবা অন্তর্ভুক্ত নয় |
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: এই প্যাকেজের সঙ্গে ওমরাহ পালনের কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা বা সেবা যুক্ত নেই। তবে ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর পর্যটকরা চাইলে মক্কা ও মদিনাসহ দেশটির যে কোনো স্থানে স্বাধীনভাবে ভ্রমণ করতে পারবেন। এছাড়া কোনো কারণে ভ্রমণ প্যাকেজ বাতিল হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট ভিসাও বাতিল বলে গণ্য হবে।
যেভাবে আবেদন করবেন
বর্তমানে সৌদি পর্যটন মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত দুটি কোম্পানি—’রিজার্ভাল’ ও ‘আলমুসাফার’—এই সেবা প্রদানের জন্য নির্ধারিত রয়েছে। ভ্রমণকারীরা অনলাইনে নির্ধারিত প্যাকেজ নির্বাচন করে মূল্য পরিশোধের মাধ্যমেই ভিসা ও ভ্রমণ বীমা সম্পন্ন করতে পারবেন।
সৌদি আরব সরকার জানিয়েছে, পর্যটকদের সংখ্যা বাড়াতে পর্যায়ক্রমে আরও অনেক দেশের নাগরিকদের এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























