ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

মেহের আফরোজ শাওনের বক্তব্য ও ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ বিতর্ক: একটি পর্যালোচনা

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে জুলাই বিপ্লবে হতাহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে বক্তব্য দিয়েছেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। তবে তার এই ক্ষমা প্রার্থনার ধরন এবং শব্দচয়ন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহকে ‘বিপ্লব’ বা ‘গণঅভ্যুত্থান’ হিসেবে সরাসরি স্বীকৃতি না দিয়ে কেবল ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ বা সুক্ষ্ম পরিকল্পনা হিসেবে অভিহিত করায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে।

সমালোচকদের মতে, শাওন নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেও তারা যে মহৎ উদ্দেশ্যে জীবন দিয়েছেন, সেটিকে এক প্রকার অস্বীকার বা অবজ্ঞা করেছেন। যেকোনো গণআন্দোলনের পেছনে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু সেটিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা ফ্যাসিবাদের পক্ষ নেওয়ারই নামান্তর। এছাড়া দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একাংশের নীরবতা ও দ্বিমুখী অবস্থান নিয়েও জনমনে অসন্তোষ বাড়ছে। বিশেষ করে অতীতে সংঘটিত বিভিন্ন গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সময় তাদের রহস্যজনক নীরবতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কওমি মাদরাসা ও হাফেজিয়া বোর্ড নিয়ে সরকারি উদ্যোগের প্রতিবাদে শিক্ষক পরিষদ

মেহের আফরোজ শাওনের বক্তব্য ও ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ বিতর্ক: একটি পর্যালোচনা

আপডেট সময় : ১১:১৮:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে জুলাই বিপ্লবে হতাহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে বক্তব্য দিয়েছেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। তবে তার এই ক্ষমা প্রার্থনার ধরন এবং শব্দচয়ন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহকে ‘বিপ্লব’ বা ‘গণঅভ্যুত্থান’ হিসেবে সরাসরি স্বীকৃতি না দিয়ে কেবল ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ বা সুক্ষ্ম পরিকল্পনা হিসেবে অভিহিত করায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে।

সমালোচকদের মতে, শাওন নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেও তারা যে মহৎ উদ্দেশ্যে জীবন দিয়েছেন, সেটিকে এক প্রকার অস্বীকার বা অবজ্ঞা করেছেন। যেকোনো গণআন্দোলনের পেছনে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু সেটিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা ফ্যাসিবাদের পক্ষ নেওয়ারই নামান্তর। এছাড়া দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একাংশের নীরবতা ও দ্বিমুখী অবস্থান নিয়েও জনমনে অসন্তোষ বাড়ছে। বিশেষ করে অতীতে সংঘটিত বিভিন্ন গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সময় তাদের রহস্যজনক নীরবতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।