দেশের উচ্চ আদালতসহ নিম্ন আদালতগুলোতে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব থাকলেও অনেক সরকারি আইনজীবীর বিরুদ্ধে গোপনে আসামিপক্ষকে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে। পেশাদারিত্বের অভাব এবং নৈতিক দৃঢ়তা না থাকায় সরকারি আইনি সেবা এখন প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় এবং পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অফিসগুলো অনেক সময় রাজনৈতিক পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত হয়। এর ফলে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং বিচার বিভাগ সম্পর্কে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। অস্থায়ী ও রাজনৈতিক নিয়োগ হওয়ার কারণে অনেকেই দ্রুত অর্থ উপার্জনে লিপ্ত হন, যা রাষ্ট্রের আইনি সুরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
সম্প্রতি চারজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ঘটনা এই অব্যবস্থাপনাকে আবারও সামনে এনেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি আইনি সেবার মানোন্নয়নে এবং রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় একটি স্থায়ী ‘অ্যাটর্নি সার্ভিস’ প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘদিনের এই অচলাবস্থা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে বিচারপ্রার্থীরা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























