ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

শিক্ষার চেয়ে ঋণ পরিশোধেই বেশি ব্যয় করছে উন্নয়নশীল দেশগুলো: ইউনেস্কো

বিশ্বের অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশ এখন এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। বিদেশি ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের চাপে দেশগুলো তাদের শিক্ষা খাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করতে পারছে না। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) তাদের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বের ১১৩টি উন্নয়নশীল দেশ শিক্ষার তুলনায় বিদেশি ঋণ পরিশোধে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে।

ইউনেস্কোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষ করে সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলোর পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এসব দেশ শিক্ষা খাতের তুলনায় গড়ে ৩.৬ গুণ বেশি অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যয় করছে। এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে, আগামী বছরগুলোতে এই সংকট আরও ঘনীভূত হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলো ইতোমধ্যে তাদের আন্তর্জাতিক শিক্ষা সহায়তার প্রায় ২১ শতাংশ হারিয়েছে। ইউনেস্কোর শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মিন জিয়ং কিম বলেন, ঋণের এই বিশাল বোঝা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বিনিয়োগহীনতা ও স্থবির উন্নয়নের এক দুষ্টচক্রে আটকে ফেলছে। এর ফলে দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহের ক্ষমতা কমছে এবং ভবিষ্যতে ঋণের বোঝা মোকাবিলার সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে সমাজকল্যাণমন্ত্রী

শিক্ষার চেয়ে ঋণ পরিশোধেই বেশি ব্যয় করছে উন্নয়নশীল দেশগুলো: ইউনেস্কো

আপডেট সময় : ০৯:২৮:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশ এখন এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। বিদেশি ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের চাপে দেশগুলো তাদের শিক্ষা খাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করতে পারছে না। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো) তাদের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বের ১১৩টি উন্নয়নশীল দেশ শিক্ষার তুলনায় বিদেশি ঋণ পরিশোধে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে।

ইউনেস্কোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষ করে সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলোর পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এসব দেশ শিক্ষা খাতের তুলনায় গড়ে ৩.৬ গুণ বেশি অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যয় করছে। এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে, আগামী বছরগুলোতে এই সংকট আরও ঘনীভূত হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলো ইতোমধ্যে তাদের আন্তর্জাতিক শিক্ষা সহায়তার প্রায় ২১ শতাংশ হারিয়েছে। ইউনেস্কোর শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মিন জিয়ং কিম বলেন, ঋণের এই বিশাল বোঝা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বিনিয়োগহীনতা ও স্থবির উন্নয়নের এক দুষ্টচক্রে আটকে ফেলছে। এর ফলে দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহের ক্ষমতা কমছে এবং ভবিষ্যতে ঋণের বোঝা মোকাবিলার সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।