ঢাকা ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: ৪১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ) ১৯৮৩ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও দামের স্থিতিশীলতা নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের তথ্যমতে, গত ৩ জুলাই শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির তেলের মজুত ৬২ লাখ ব্যারেল কমে ৩১৯.৫ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে, যা রিগান প্রশাসনের পর সর্বনিম্ন।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রতিটি পদক্ষেপে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৫.২ শতাংশ বেড়ে ৭৮.০২ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। তেলের এই আকাশচুম্বী দাম এবং মজুতের এই পতন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের সংকট এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র তার রিজার্ভ থেকে তেল ছাড়ছিল। তবে মজুত এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে ওয়াশিংটনের পক্ষে আরও তেল ছাড়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। এই সীমাবদ্ধতা ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্পগুলোকে সংকুচিত করে দিতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঐতিহাসিক জানাজায় ১০১ বছর বয়সী আলেমের ইমামতি: খামেনির শেষ প্রার্থনায় শিয়া বিশ্বের প্রবীণতম ব্যক্তিত্ব

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: ৪১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত

আপডেট সময় : ১০:০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ) ১৯৮৩ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও দামের স্থিতিশীলতা নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের তথ্যমতে, গত ৩ জুলাই শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির তেলের মজুত ৬২ লাখ ব্যারেল কমে ৩১৯.৫ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে, যা রিগান প্রশাসনের পর সর্বনিম্ন।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রতিটি পদক্ষেপে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৫.২ শতাংশ বেড়ে ৭৮.০২ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। তেলের এই আকাশচুম্বী দাম এবং মজুতের এই পতন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের সংকট এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র তার রিজার্ভ থেকে তেল ছাড়ছিল। তবে মজুত এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে ওয়াশিংটনের পক্ষে আরও তেল ছাড়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। এই সীমাবদ্ধতা ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্পগুলোকে সংকুচিত করে দিতে পারে।