ঢাকা ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

তিস্তায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি: বিপৎসীমা ছাড়ালো পানি, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে, যার ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ মিটার, যা বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় পানির স্তর বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। পানি বৃদ্ধির ফলে উজানের চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান, সিঙ্গিমারী, সিন্দুর্না ও ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের বাদামখেত, ধানের বীজতলা, মিষ্টি কুমড়াসহ বিভিন্ন কৃষিজমিতে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে কৃষকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।

তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নদীর পানি বাড়তে শুরু করে এবং রাত ৯টায় তা বিপৎসীমা অতিক্রম করে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন যে, তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় ব্যারাজের সবগুলো জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে এবং নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: ৪১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত

তিস্তায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি: বিপৎসীমা ছাড়ালো পানি, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে, যার ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ মিটার, যা বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় পানির স্তর বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। পানি বৃদ্ধির ফলে উজানের চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান, সিঙ্গিমারী, সিন্দুর্না ও ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের বাদামখেত, ধানের বীজতলা, মিষ্টি কুমড়াসহ বিভিন্ন কৃষিজমিতে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে কৃষকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।

তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নদীর পানি বাড়তে শুরু করে এবং রাত ৯টায় তা বিপৎসীমা অতিক্রম করে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন যে, তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় ব্যারাজের সবগুলো জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে এবং নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।