বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনার কাছে পরাজিত হওয়ার পর মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন (ফিফা)-এর কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। মিসরের অভিযোগ, টুর্নামেন্টের শেষ ষোলোর ম্যাচে রেফারি এবং ভিএআর (VAR) টিম পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছে। তাদের দাবি, ম্যাচে মিসরের একটি গোল অন্যায়ভাবে বাতিল করা হয়েছে এবং আর্জেন্টিনার জয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দুটি পেনাল্টির আবেদনও উপেক্ষা করা হয়েছে।
মিসরের কোচ হোসাম হাসান ম্যাচ চলাকালীন এই অনিয়মের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, যদি আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতবেই, তবে অন্য দলগুলোর অংশগ্রহণের কি প্রয়োজন? এই ঘটনার পর মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ফিফার কাছে একটি তদন্তের আবেদন জানায়। তারা তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করে যে, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে এবং এগুলো সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। মিসরীয় ফুটবল সবসময় ফেয়ার প্লে, ক্রীড়া সততা এবং খেলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল উল্লেখ করে তারা জানায়, সব দল যেন সমান সুযোগ পায় এবং সমান আচরণ পায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ম্যাচে যা ঘটেছে তা খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং সমর্থকদের মধ্যে গুরুতর রেফারিং ভুল এবং দ্বৈত মানদণ্ড নিয়ে ব্যাপক হতাশার জন্ম দিয়েছে। স্পষ্টতই ভিএআর-এর বেশ কিছু বড় ভুল ছিল এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফুটেজ পর্যালোচনা না করার সিদ্ধান্তও প্রশ্নবিদ্ধ। এই ভুল এবং জাতীয় দলের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তদন্তের পর মিসর ফিফার কাছে রেফারি ও পুরো ম্যাচ পরিচালনাকারী দলকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে, মিসরের কোচ হোসাম হাসান নিজেও আলোচনায় এসেছেন। ম্যাচ চলাকালীন লিওনেল মেসির সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বাক্যবিনিময়ের পর তিনি ফিফার বর্ণবাদবিরোধী ‘এক্স’ সংকেত দেখিয়েছিলেন। দ্য সানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অঙ্গভঙ্গির কারণে তিনি শাস্তির মুখে পড়তে পারেন।
রিপোর্টারের নাম 























