ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

কোটা সংস্কার আন্দোলনে কাল সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এবার আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আগামীকাল ১০ জুলাই সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক ‘ব্লকেড’ বা অবরোধ কর্মসূচি পালনের ডাক দিয়েছে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’। দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রেলপথ এই অবরোধের আওতায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায় এবং সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা এই পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন। জনগণের সাময়িক ভোগান্তির জন্য সরকারকে দায়ী করে তিনি অবিলম্বে সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের দাবি জানান।

আরেক সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ স্পষ্ট করেন যে, তাদের এই আন্দোলন কোটা বাতিলের জন্য নয়, বরং বাস্তবসম্মত সংস্কারের জন্য। অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বিবেচনায় রেখে তারা মোট ৫ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব করেছেন। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন এখন একটি গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছে উল্লেখ করে তারা সকল পর্যায়ের মানুষকে এই কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা ও বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

কোটা সংস্কার আন্দোলনে কাল সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০৯:১৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এবার আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আগামীকাল ১০ জুলাই সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক ‘ব্লকেড’ বা অবরোধ কর্মসূচি পালনের ডাক দিয়েছে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’। দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রেলপথ এই অবরোধের আওতায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায় এবং সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা এই পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন। জনগণের সাময়িক ভোগান্তির জন্য সরকারকে দায়ী করে তিনি অবিলম্বে সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের দাবি জানান।

আরেক সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ স্পষ্ট করেন যে, তাদের এই আন্দোলন কোটা বাতিলের জন্য নয়, বরং বাস্তবসম্মত সংস্কারের জন্য। অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বিবেচনায় রেখে তারা মোট ৫ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব করেছেন। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন এখন একটি গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছে উল্লেখ করে তারা সকল পর্যায়ের মানুষকে এই কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।