ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

চালকের অভাবে ও জ্বালানি সংকটে অচল দুটি নৌ অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসাবঞ্চিত চরের মানুষ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুরের পদ্মার বুক চিরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ১০টি চরের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার মানুষের জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারিভাবে দেওয়া দুটি নৌ অ্যাম্বুলেন্স চালক ও জ্বালানি সংকটে অচল অবস্থায় পড়ে আছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নড়িয়া ও জাজিরায় সরবরাহকৃত এই অ্যাম্বুলেন্স দুটি এখন ব্যবহারের অনুপযোগী। ফলে চরাঞ্চলের মানুষ নৌ অ্যাম্বুলেন্সে জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ২০১৯ সালে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামসহ এই নৌ অ্যাম্বুলেন্স দুটি সরবরাহ করেছিল। কিন্তু চালক নিয়োগ ও জ্বালানির বরাদ্দ না থাকায় সেগুলো কখনোই চালু করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্স নদীর পানিতে ডুবে নষ্ট হয়ে গেছে, অন্যটিরও কোনো সন্ধান মিলছে না। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার নদীবেষ্টিত গ্রামগুলোর মানুষের যাতায়াত সম্পূর্ণভাবে নৌপথনির্ভর। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয় এবং জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চালক ও জ্বালানির ব্যবস্থা না থাকায় অ্যাম্বুলেন্সগুলো অচল ছিল এবং একটি সম্ভবত চুরি হয়ে গেছে। এর নির্মম শিকার হচ্ছেন চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ, যেখানে গত দেড় বছরে সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে না পেরে অন্তত তিন অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড: স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী ও শিশুপুত্র নিহত, অপর সন্তান গুরুতর আহত

চালকের অভাবে ও জ্বালানি সংকটে অচল দুটি নৌ অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসাবঞ্চিত চরের মানুষ

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

শরীয়তপুরের পদ্মার বুক চিরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ১০টি চরের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার মানুষের জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারিভাবে দেওয়া দুটি নৌ অ্যাম্বুলেন্স চালক ও জ্বালানি সংকটে অচল অবস্থায় পড়ে আছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নড়িয়া ও জাজিরায় সরবরাহকৃত এই অ্যাম্বুলেন্স দুটি এখন ব্যবহারের অনুপযোগী। ফলে চরাঞ্চলের মানুষ নৌ অ্যাম্বুলেন্সে জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ২০১৯ সালে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামসহ এই নৌ অ্যাম্বুলেন্স দুটি সরবরাহ করেছিল। কিন্তু চালক নিয়োগ ও জ্বালানির বরাদ্দ না থাকায় সেগুলো কখনোই চালু করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্স নদীর পানিতে ডুবে নষ্ট হয়ে গেছে, অন্যটিরও কোনো সন্ধান মিলছে না। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার নদীবেষ্টিত গ্রামগুলোর মানুষের যাতায়াত সম্পূর্ণভাবে নৌপথনির্ভর। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয় এবং জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চালক ও জ্বালানির ব্যবস্থা না থাকায় অ্যাম্বুলেন্সগুলো অচল ছিল এবং একটি সম্ভবত চুরি হয়ে গেছে। এর নির্মম শিকার হচ্ছেন চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ, যেখানে গত দেড় বছরে সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে না পেরে অন্তত তিন অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।