ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরান ও আইআরজিসি’র বড় ধরনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৮৫টি সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে এই অভিযানের কথা নিশ্চিত করেছে। তাদের দাবি, নৌ ও বিমান বাহিনীর যৌথ এই হামলায় বাহরাইনের পঞ্চম নৌবহর এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, সম্প্রতি ইরানের উপকূলীয় ঘাঁটি ও বেসামরিক স্থাপনায় মার্কিন বিমান হামলার পাল্টা জবাব হিসেবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক চুক্তি ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে উসকানিমূলক হামলা চালিয়েছিল।

ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, এই অভিযানটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তাদের প্রথম পর্যায়ের প্রতিশোধ। মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। তবে এই হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিভির পর্দায় আজ: ফুটবল বিশ্বকাপে স্পেন-বেলজিয়াম লড়াই, উইম্বলডনের সেমিফাইনাল

মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরান ও আইআরজিসি’র বড় ধরনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৮৫টি সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে এই অভিযানের কথা নিশ্চিত করেছে। তাদের দাবি, নৌ ও বিমান বাহিনীর যৌথ এই হামলায় বাহরাইনের পঞ্চম নৌবহর এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, সম্প্রতি ইরানের উপকূলীয় ঘাঁটি ও বেসামরিক স্থাপনায় মার্কিন বিমান হামলার পাল্টা জবাব হিসেবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক চুক্তি ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে উসকানিমূলক হামলা চালিয়েছিল।

ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, এই অভিযানটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তাদের প্রথম পর্যায়ের প্রতিশোধ। মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। তবে এই হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।