ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছড়িয়েছে আতঙ্ক

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করার সময় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার টেপিরবাড়ী এলাকার কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। এর ফলে শ্রমিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তারা কাজ বন্ধ করে কারখানা ত্যাগ করেন।

কারখানা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল ১০টার দিকে কারখানার পঞ্চম তলার সুইং সেকশনে এক নারী শ্রমিক হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যান। এর কিছুক্ষণ পরই আরও বেশ কয়েকজন শ্রমিকের বমি, পেটব্যথা ও মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। অসুস্থদের দ্রুত উদ্ধার করে মাওনা চৌরাস্তার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অসুস্থদের বেশিরভাগই নারী এবং তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন একই কারখানায় এক নারী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও গণ-অসুস্থতার ঘটনায় শ্রমিকদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শ্রমিকদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অসুস্থতার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে এনসিপির সমাবেশে বোমা হামলা: যুবলীগের দুই নেতা ২ দিনের রিমান্ডে

গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছড়িয়েছে আতঙ্ক

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করার সময় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার টেপিরবাড়ী এলাকার কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। এর ফলে শ্রমিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তারা কাজ বন্ধ করে কারখানা ত্যাগ করেন।

কারখানা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল ১০টার দিকে কারখানার পঞ্চম তলার সুইং সেকশনে এক নারী শ্রমিক হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যান। এর কিছুক্ষণ পরই আরও বেশ কয়েকজন শ্রমিকের বমি, পেটব্যথা ও মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। অসুস্থদের দ্রুত উদ্ধার করে মাওনা চৌরাস্তার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অসুস্থদের বেশিরভাগই নারী এবং তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন একই কারখানায় এক নারী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও গণ-অসুস্থতার ঘটনায় শ্রমিকদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শ্রমিকদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অসুস্থতার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।