ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

শহীদ জাহিদের মায়ের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী, দিলেন চাকরির আশ্বাস

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরার পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্যানসার আক্রান্ত ছোট ছেলে মাহমুদুল্লাহ বিন জিসানসহ সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং ফাতেমা তুজ জোহরাকে একটি সম্মানজনক চাকরির নিশ্চয়তা দেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রাণ হারান ফাতেমার বড় ছেলে আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ। বড় ছেলেকে হারানোর মাত্র দুই সপ্তাহ পর তার ছোট ছেলে জিসানের শরীরে মরণব্যাধি ক্যানসার শনাক্ত হয়। শোকের ছায়া কাটতে না কাটতেই সাত মাস পর ফাতেমা তার স্বামীকেও হারান। চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়া এই পরিবারের চিকিৎসার দায়িত্ব আগে থেকেই নিয়েছিলেন তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা জানান, প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে জিসানের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং পরিবারটিকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের তত্ত্বাবধানে জিসানের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে এনসিপির সমাবেশে বোমা হামলা: যুবলীগের দুই নেতা ২ দিনের রিমান্ডে

শহীদ জাহিদের মায়ের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী, দিলেন চাকরির আশ্বাস

আপডেট সময় : ০৬:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরার পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্যানসার আক্রান্ত ছোট ছেলে মাহমুদুল্লাহ বিন জিসানসহ সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং ফাতেমা তুজ জোহরাকে একটি সম্মানজনক চাকরির নিশ্চয়তা দেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রাণ হারান ফাতেমার বড় ছেলে আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ। বড় ছেলেকে হারানোর মাত্র দুই সপ্তাহ পর তার ছোট ছেলে জিসানের শরীরে মরণব্যাধি ক্যানসার শনাক্ত হয়। শোকের ছায়া কাটতে না কাটতেই সাত মাস পর ফাতেমা তার স্বামীকেও হারান। চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়া এই পরিবারের চিকিৎসার দায়িত্ব আগে থেকেই নিয়েছিলেন তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা জানান, প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে জিসানের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং পরিবারটিকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের তত্ত্বাবধানে জিসানের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।