ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শান্তিতে নোবেল না পাওয়ায় নোবেল কমিটির ওপর ‘ক্ষুব্ধ’ হোয়াইট হাউজ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাননি। এই বছর পুরস্কারটি পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার একজন বিরোধী নেতা। এই ঘটনাকে ভালোভাবে নেয়নি হোয়াইট হাউজ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় নোবেল কমিটির এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছে।

পুরস্কারের জন্য ট্রাম্প নিজে জোর প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে তার ভূমিকার কথা প্রচারও করেছিলেন জোরালোভাবে। তারপরেও নোবেল কমিটির মন গলেনি।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র স্টিভেন চুং ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শান্তি চুক্তি করে যাবেন, যুদ্ধ শেষ করবেন এবং মানুষের জীবন বাঁচাবেন। তার আছে এক মানবতাবাদী হৃদয়। তার মতো আর কেউ আসবে না, যিনি তার ইচ্ছাশক্তির জোরে পর্বতকেও সরিয়ে দিতে পারেন।’
তিনি আরও বলেন, নোবেল কমিটি প্রমাণ করেছে যে তারা শান্তির চেয়ে রাজনীতিকে প্রাধান্য দেয়।

নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে শান্তিতে নোবেল দিয়েছে। কমিটি তাঁকে স্বৈরাচারী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এক সাহসী শক্তি হিসেবে বিবেচনা করেছে।

ট্রাম্প এই পুরস্কারের জন্য প্রচারণা চালিয়েছেন। এই সপ্তাহেই তিনি গাজা যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি চুক্তির ঘোষণা করেছেন।

নোবেলের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তিনি শুক্রবার সকালে তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে তার সমর্থকরা গাজা চুক্তি উদযাপন করছেন এমন তিনটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।

ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ক্ষমতায় আসার পর থেকে আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন এবং নোবেল তাঁরই প্রাপ্য। যদিও গত মাসেই তিনি বলেছিলেন যে তিনি পুরস্কার পাবেন না বলেই পুরোপুরি আশা করেন। গত মাসে শীর্ষ মার্কিন সামরিক নেতাদের ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আপনি কি নোবেল পুরস্কার পাবেন? একেবারেই না। তারা এমন কাউকে দেবে যে কিছুই করেনি।’
তিনি আরও বলেছিলেন, যদি তিনি এই পুরস্কারটি না পান, তবে তা হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘একটি বড় অপমান’।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের পুরস্কারের জন্য নোবেলের মনোনয়ন অবশ্যই ৩১ জানুয়ারির আগে জমা দিতে হতো। ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি তার দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য হোয়াইট হাউসে ফিরে আসেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আরাকান আর্মির প্রধানের অভিনন্দন, নতুন বন্ধুত্বের বার্তা

শান্তিতে নোবেল না পাওয়ায় নোবেল কমিটির ওপর ‘ক্ষুব্ধ’ হোয়াইট হাউজ

আপডেট সময় : ০৮:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাননি। এই বছর পুরস্কারটি পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার একজন বিরোধী নেতা। এই ঘটনাকে ভালোভাবে নেয়নি হোয়াইট হাউজ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় নোবেল কমিটির এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছে।

পুরস্কারের জন্য ট্রাম্প নিজে জোর প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে তার ভূমিকার কথা প্রচারও করেছিলেন জোরালোভাবে। তারপরেও নোবেল কমিটির মন গলেনি।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র স্টিভেন চুং ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শান্তি চুক্তি করে যাবেন, যুদ্ধ শেষ করবেন এবং মানুষের জীবন বাঁচাবেন। তার আছে এক মানবতাবাদী হৃদয়। তার মতো আর কেউ আসবে না, যিনি তার ইচ্ছাশক্তির জোরে পর্বতকেও সরিয়ে দিতে পারেন।’
তিনি আরও বলেন, নোবেল কমিটি প্রমাণ করেছে যে তারা শান্তির চেয়ে রাজনীতিকে প্রাধান্য দেয়।

নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে শান্তিতে নোবেল দিয়েছে। কমিটি তাঁকে স্বৈরাচারী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এক সাহসী শক্তি হিসেবে বিবেচনা করেছে।

ট্রাম্প এই পুরস্কারের জন্য প্রচারণা চালিয়েছেন। এই সপ্তাহেই তিনি গাজা যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি চুক্তির ঘোষণা করেছেন।

নোবেলের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তিনি শুক্রবার সকালে তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে তার সমর্থকরা গাজা চুক্তি উদযাপন করছেন এমন তিনটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।

ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ক্ষমতায় আসার পর থেকে আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন এবং নোবেল তাঁরই প্রাপ্য। যদিও গত মাসেই তিনি বলেছিলেন যে তিনি পুরস্কার পাবেন না বলেই পুরোপুরি আশা করেন। গত মাসে শীর্ষ মার্কিন সামরিক নেতাদের ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আপনি কি নোবেল পুরস্কার পাবেন? একেবারেই না। তারা এমন কাউকে দেবে যে কিছুই করেনি।’
তিনি আরও বলেছিলেন, যদি তিনি এই পুরস্কারটি না পান, তবে তা হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘একটি বড় অপমান’।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের পুরস্কারের জন্য নোবেলের মনোনয়ন অবশ্যই ৩১ জানুয়ারির আগে জমা দিতে হতো। ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি তার দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য হোয়াইট হাউসে ফিরে আসেন।