ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

শাহজালাল বিমানবন্দরে রহস্য: বোর্ডিং পাস নিয়েও ফ্লাইটে ওঠেননি ৭১ যাত্রী

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়াগামী একটি ফ্লাইটে নাটকীয় ও রহস্যজনক ঘটনা ঘটেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটের বিজি-৩৮৬ ফ্লাইটে চড়ার জন্য বোর্ডিং পাস সংগ্রহ এবং ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করলেও শেষ মুহূর্তে ৭১ জন যাত্রী বিমানে ওঠেননি। এর আগে বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ভিসা জাল বলে শনাক্ত হওয়ার পর পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। শেষ পর্যন্ত ৭৬ জন যাত্রী ছাড়াই ফ্লাইটটি ঢাকা ত্যাগ করে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বোর্ডিং গেটে পাঁচ যাত্রীর ই-ভিসা জাল প্রমাণিত হওয়ার পর লাইনে থাকা অন্য যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অনেক যাত্রী সেখান থেকে সটকে পড়েন এবং ইমিগ্রেশনের প্রস্থান সিল বাতিল করে পুনরায় দেশে ফিরে আসেন। অভিযোগ উঠেছে, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই চেক-ইন কাউন্টার থেকে এসব যাত্রীদের বোর্ডিং পাস ইস্যু করা হয়েছিল এবং ইমিগ্রেশন বিভাগও তাদের ছাড়পত্র দিয়েছিল।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এই ৭৬ জন যাত্রী পর্যটন ভিসায় মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন এবং একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে সেখানে অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। বিমানের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, ওই ফ্লাইটে মোট ২৮৮ জন যাত্রী ছিলেন। ইমিগ্রেশন বিভাগ ১০ জনকে আটকে দেয় এবং পাঁচজনের ভিসা জটিলতা দেখা দেয়। বাকি ৬১ জন যাত্রী বোর্ডিং গেটে উপস্থিত হননি। এই ঘটনায় বিমানবন্দর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে আধুনিক ভিসানীতির খসড়া প্রণয়ন

শাহজালাল বিমানবন্দরে রহস্য: বোর্ডিং পাস নিয়েও ফ্লাইটে ওঠেননি ৭১ যাত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়াগামী একটি ফ্লাইটে নাটকীয় ও রহস্যজনক ঘটনা ঘটেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটের বিজি-৩৮৬ ফ্লাইটে চড়ার জন্য বোর্ডিং পাস সংগ্রহ এবং ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করলেও শেষ মুহূর্তে ৭১ জন যাত্রী বিমানে ওঠেননি। এর আগে বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ভিসা জাল বলে শনাক্ত হওয়ার পর পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। শেষ পর্যন্ত ৭৬ জন যাত্রী ছাড়াই ফ্লাইটটি ঢাকা ত্যাগ করে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বোর্ডিং গেটে পাঁচ যাত্রীর ই-ভিসা জাল প্রমাণিত হওয়ার পর লাইনে থাকা অন্য যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অনেক যাত্রী সেখান থেকে সটকে পড়েন এবং ইমিগ্রেশনের প্রস্থান সিল বাতিল করে পুনরায় দেশে ফিরে আসেন। অভিযোগ উঠেছে, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই চেক-ইন কাউন্টার থেকে এসব যাত্রীদের বোর্ডিং পাস ইস্যু করা হয়েছিল এবং ইমিগ্রেশন বিভাগও তাদের ছাড়পত্র দিয়েছিল।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এই ৭৬ জন যাত্রী পর্যটন ভিসায় মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন এবং একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে সেখানে অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। বিমানের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, ওই ফ্লাইটে মোট ২৮৮ জন যাত্রী ছিলেন। ইমিগ্রেশন বিভাগ ১০ জনকে আটকে দেয় এবং পাঁচজনের ভিসা জটিলতা দেখা দেয়। বাকি ৬১ জন যাত্রী বোর্ডিং গেটে উপস্থিত হননি। এই ঘটনায় বিমানবন্দর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।