ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

পাবনায় থানা ঘেরাও করে যুবলীগ নেতার মুক্তি, নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতা

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নাশকতার অভিযোগে আটক হওয়া এক যুবলীগ নেতাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে রিপন সরকার নামের ওই যুবলীগ নেতাকে থানা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এর আগে, তার মুক্তির দাবিতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সোহেলের নেতৃত্বে দুই শতাধিক গ্রামবাসী থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ গ্রাম থেকে রিপন সরকারকে আটক করেছিল পুলিশ। তিনি উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড (পাটুলিপাড়া) যুবলীগের সভাপতি এবং ওই গ্রামের হাবিবুর সরকারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাশকতার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রিপনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছিল। আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদল নেতা সোহেলের নেতৃত্বে স্থানীয়রা থানায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

বিক্ষোভের এক পর্যায়ে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয় এবং পরবর্তীতে ওসি’র কক্ষে পুলিশ ও ছাত্রদল নেতা সোহেলসহ গ্রামের কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি আলোচনায় বসেন। আলোচনার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে আটক যুবলীগ নেতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সোহেল বলেন, “আমাদের গ্রামের স্বার্থে একটি খাস জায়গায় বাজার বসানো হয়েছে। কিন্তু এটি নিয়ে গ্রামে রাজনীতি হচ্ছে। একজন ব্যক্তির স্বার্থে তাকে (যুবলীগ নেতা রিপন) থানায় আটক করে নিয়ে আসা হয়েছে, তাই আমরা থানায় এসেছিলাম।”

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিউল আজম জানান, আটক রিপন ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি। নাশকতার বিষয়ে সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হয়েছিল। তবে তদন্তে তার সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মুচলেকা নিয়ে গ্রামবাসীর জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পড়াশোনার পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ ব্যবসা: স্বাবলম্বী হওয়ার পথে জামালপুরের তরুণ সৌরভ

পাবনায় থানা ঘেরাও করে যুবলীগ নেতার মুক্তি, নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতা

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নাশকতার অভিযোগে আটক হওয়া এক যুবলীগ নেতাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে রিপন সরকার নামের ওই যুবলীগ নেতাকে থানা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এর আগে, তার মুক্তির দাবিতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সোহেলের নেতৃত্বে দুই শতাধিক গ্রামবাসী থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ গ্রাম থেকে রিপন সরকারকে আটক করেছিল পুলিশ। তিনি উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড (পাটুলিপাড়া) যুবলীগের সভাপতি এবং ওই গ্রামের হাবিবুর সরকারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাশকতার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রিপনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছিল। আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদল নেতা সোহেলের নেতৃত্বে স্থানীয়রা থানায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

বিক্ষোভের এক পর্যায়ে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয় এবং পরবর্তীতে ওসি’র কক্ষে পুলিশ ও ছাত্রদল নেতা সোহেলসহ গ্রামের কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি আলোচনায় বসেন। আলোচনার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে আটক যুবলীগ নেতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সোহেল বলেন, “আমাদের গ্রামের স্বার্থে একটি খাস জায়গায় বাজার বসানো হয়েছে। কিন্তু এটি নিয়ে গ্রামে রাজনীতি হচ্ছে। একজন ব্যক্তির স্বার্থে তাকে (যুবলীগ নেতা রিপন) থানায় আটক করে নিয়ে আসা হয়েছে, তাই আমরা থানায় এসেছিলাম।”

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিউল আজম জানান, আটক রিপন ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি। নাশকতার বিষয়ে সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হয়েছিল। তবে তদন্তে তার সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মুচলেকা নিয়ে গ্রামবাসীর জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।