ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

রাজনৈতিক হয়রানির অভিযোগ: মোংলায় বিএনপি নেতার মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মৃধা ফারুকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং এর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে মোংলার সুন্দরবন ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাদুরপাল্টা বাজার মাঠে স্থানীয় সর্বসাধারণের ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মো. হারুন মৃধা এতে সভাপতিত্ব করেন।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, পশ্চিম বাজিকরেরখণ্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মোংলা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মৃধা ফারুকুল ইসলামকে ওই মামলায় আসামি করা হয়েছে।

বক্তাদের ভাষ্যমতে, মৃধা ফারুকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার জনপ্রিয়তা ও জনসম্পৃক্ততার কারণে একটি মহল তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানির চেষ্টা করছে। তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রশাসনের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, সুষ্ঠু তদন্তে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হলে মৃধা ফারুকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যাবে না। তাই তারা অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার এবং এ ধরনের হয়রানি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে মোংলা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি নিজাম মৃধা, মোংলা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মৃধা মাজিদুল ইসলাম, যুবনেতা নাজমুল মোল্লা, অনিক মোল্লা, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মারুফ হাওলাদার, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুছা আকন, সুন্দরবন ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শুকুর আলী সুমন, ছাত্রনেতা সাব্বির এবং মহিলা নেত্রী তাহমিনা খাতুনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সাধারণ জনগণ অংশ নিয়ে প্রশাসনের প্রতি দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পড়াশোনার পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ ব্যবসা: স্বাবলম্বী হওয়ার পথে জামালপুরের তরুণ সৌরভ

রাজনৈতিক হয়রানির অভিযোগ: মোংলায় বিএনপি নেতার মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মৃধা ফারুকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং এর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে মোংলার সুন্দরবন ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাদুরপাল্টা বাজার মাঠে স্থানীয় সর্বসাধারণের ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মো. হারুন মৃধা এতে সভাপতিত্ব করেন।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, পশ্চিম বাজিকরেরখণ্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মোংলা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মৃধা ফারুকুল ইসলামকে ওই মামলায় আসামি করা হয়েছে।

বক্তাদের ভাষ্যমতে, মৃধা ফারুকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার জনপ্রিয়তা ও জনসম্পৃক্ততার কারণে একটি মহল তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানির চেষ্টা করছে। তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রশাসনের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, সুষ্ঠু তদন্তে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হলে মৃধা ফারুকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যাবে না। তাই তারা অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার এবং এ ধরনের হয়রানি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে মোংলা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি নিজাম মৃধা, মোংলা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মৃধা মাজিদুল ইসলাম, যুবনেতা নাজমুল মোল্লা, অনিক মোল্লা, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মারুফ হাওলাদার, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুছা আকন, সুন্দরবন ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শুকুর আলী সুমন, ছাত্রনেতা সাব্বির এবং মহিলা নেত্রী তাহমিনা খাতুনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সাধারণ জনগণ অংশ নিয়ে প্রশাসনের প্রতি দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।