ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

নোয়াখালীতে শিশু হত্যা মামলার রায় তৃতীয় দফায় পেছাল, নতুন তারিখ ৭ জুলাই

নোয়াখালীর চাটখিলে আলোচিত ৫ বছরের শিশু আসমা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় তৃতীয় দফায় পিছিয়ে গেছে। বুধবার জেলার বিশেষ শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন। আগামী ৭ জুলাই এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুক্লা সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার রায় ঘোষণার তারিখ তৃতীয়বারের মতো পরিবর্তন করে ৭ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে। নিহত আসমা আক্তার চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মাওলানা মো. শাহজাহানের মেয়ে ছিল। মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাত (২৬) একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নিহতের জেঠাতো ভাই।

মামলার সূত্রমতে, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে আসমা আক্তার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। ঘটনার নয় দিন পর, আসামির তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্ত চলাকালে শাহাদাত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এতে সে জানায়, ধর্ষণের পর ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখে। এই ঘটনায় শাহাদাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পর নোয়াখালী জেলায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়রা শুরু থেকেই দ্রুত বিচার এবং আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে উত্তেজনা: পাকিস্তানে আফগানিস্তানের ড্রোন হামলা, ৪টি ভূপাতিত করার দাবি

নোয়াখালীতে শিশু হত্যা মামলার রায় তৃতীয় দফায় পেছাল, নতুন তারিখ ৭ জুলাই

আপডেট সময় : ০৩:০৭:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

নোয়াখালীর চাটখিলে আলোচিত ৫ বছরের শিশু আসমা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় তৃতীয় দফায় পিছিয়ে গেছে। বুধবার জেলার বিশেষ শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন। আগামী ৭ জুলাই এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুক্লা সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার রায় ঘোষণার তারিখ তৃতীয়বারের মতো পরিবর্তন করে ৭ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে। নিহত আসমা আক্তার চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মাওলানা মো. শাহজাহানের মেয়ে ছিল। মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাত (২৬) একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নিহতের জেঠাতো ভাই।

মামলার সূত্রমতে, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে আসমা আক্তার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। ঘটনার নয় দিন পর, আসামির তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্ত চলাকালে শাহাদাত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এতে সে জানায়, ধর্ষণের পর ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখে। এই ঘটনায় শাহাদাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পর নোয়াখালী জেলায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়রা শুরু থেকেই দ্রুত বিচার এবং আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছে।