নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়াদী গ্রেনেট বাবুর বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি পরিষদের জমিতে নির্মিত দোকান ঘর থেকে আদায়কৃত জামানত ও ভাড়ার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে নিজের পকেটে ভরেছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্যরা।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, রংপুর-নীলফামারী সড়ক সংলগ্ন ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব জায়গায় ২০২৩ সালে সরকারি প্রকল্পের অর্থায়নে চারটি দোকান ঘর নির্মাণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি দোকান থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জামানত গ্রহণ করেছেন চেয়ারম্যান। এছাড়া প্রতি মাসে দোকান প্রতি ২ হাজার টাকা করে ভাড়া আদায় করা হলেও গত চার বছরে সেই টাকা পরিষদের তহবিলে জমা পড়েনি।
নিয়ম অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদের কোনো জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয় এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিষদের রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতে হয়। কিন্তু এই দোকানগুলোর ক্ষেত্রে কোনো নিয়মই মানা হয়নি। পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জামানত ও ভাড়ার টাকার কোনো তথ্য দপ্তরে নেই এবং বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























