ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

মাদক ও বিদেশি সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখতে কঠোর ব্যবস্থার দাবি সেলিম উদ্দিনের

মাদকাসক্তিকে একটি ভয়াবহ জাতীয় সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করে এটি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, শুধু মাদক নির্মূল করলেই হবে না, এর পাশাপাশি তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে বিদেশি সাংস্কৃতিক আগ্রাসনও বন্ধ করতে হবে।

আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিম উদ্দিন বলেন, ধূমপানের মাধ্যমেই মূলত মাদকের হাতেখড়ি হয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত, যা একটি জাতির জন্য চরম উদ্বেগের বিষয়। তিনি মাদকের এই বিস্তার রোধে পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও প্রস্তাব করেন যে, মাদকাসক্তদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে মানসম্মত পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে তরুণদের সুস্থ বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান তিনি। প্রশাসনকে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি একটি মাদকমুক্ত ঢাকা গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের ইশতেহারে শরীয়া বা ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার উল্লেখ নেই: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাদক ও বিদেশি সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখতে কঠোর ব্যবস্থার দাবি সেলিম উদ্দিনের

আপডেট সময় : ১০:০২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

মাদকাসক্তিকে একটি ভয়াবহ জাতীয় সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করে এটি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, শুধু মাদক নির্মূল করলেই হবে না, এর পাশাপাশি তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে বিদেশি সাংস্কৃতিক আগ্রাসনও বন্ধ করতে হবে।

আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিম উদ্দিন বলেন, ধূমপানের মাধ্যমেই মূলত মাদকের হাতেখড়ি হয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত, যা একটি জাতির জন্য চরম উদ্বেগের বিষয়। তিনি মাদকের এই বিস্তার রোধে পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও প্রস্তাব করেন যে, মাদকাসক্তদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে মানসম্মত পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে তরুণদের সুস্থ বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান তিনি। প্রশাসনকে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি একটি মাদকমুক্ত ঢাকা গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।