ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

লেবাননের সঙ্গে চুক্তিকে ঐতিহাসিক ও হিজবুল্লাহর জন্য বড় ধাক্কা বলছেন নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবাননের সঙ্গে সম্পাদিত সাম্প্রতিক কাঠামোগত চুক্তিকে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া এই সমঝোতাকে তিনি ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য বড় অর্জন এবং ইরান ও হিজবুল্লাহর জন্য একটি চরম বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

শনিবার এক টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু বলেন, সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে ইসরায়েল এই অভাবনীয় চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। তার মতে, এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও তাদের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রভাব হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তবে এই সমঝোতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কিছুটা সংশয়ও দেখা দিয়েছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দক্ষিণ লেবাননের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এখনো ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অবস্থান বজায় রাখা হবে। ফলে এই চুক্তির মাধ্যমে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং সামরিক অভিযান পুরোপুরি বন্ধ হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরের গারো পাহাড়ে অবাধে বালু ও পাথর উত্তোলন: হুমকির মুখে প্রাকৃতিক পরিবেশ

লেবাননের সঙ্গে চুক্তিকে ঐতিহাসিক ও হিজবুল্লাহর জন্য বড় ধাক্কা বলছেন নেতানিয়াহু

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবাননের সঙ্গে সম্পাদিত সাম্প্রতিক কাঠামোগত চুক্তিকে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া এই সমঝোতাকে তিনি ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য বড় অর্জন এবং ইরান ও হিজবুল্লাহর জন্য একটি চরম বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

শনিবার এক টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু বলেন, সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে ইসরায়েল এই অভাবনীয় চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। তার মতে, এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও তাদের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রভাব হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তবে এই সমঝোতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কিছুটা সংশয়ও দেখা দিয়েছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দক্ষিণ লেবাননের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এখনো ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অবস্থান বজায় রাখা হবে। ফলে এই চুক্তির মাধ্যমে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং সামরিক অভিযান পুরোপুরি বন্ধ হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।