ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

ওয়াশিংটন চুক্তি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, আগে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের দাবি

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সই হওয়া সাম্প্রতিক কাঠামোগত চুক্তিটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেম। শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই চুক্তিটি বাতিল ও অকার্যকর। এর পরিবর্তে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী লেবাননের ভূখণ্ড থেকে আগে ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার করতে হবে।

ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বৈরুত ও তেল আবিবের মধ্যেকার পঞ্চম দফার আলোচনার পর এই প্রথম হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এল। নাঈম কাসেম সতর্ক করে বলেন, প্রতিরোধ বাহিনীর নিরস্ত্রীকরণের শর্তে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব অত্যন্ত বিপজ্জনক। তিনি মনে করেন, এ ধরনের পদক্ষেপ লেবাননকে ইসরায়েলি শত্রুর হাতের পুতুলে পরিণত করবে এবং এটি সার্বভৌমত্বের সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করে।

লেবাননের অভ্যন্তরে এই চুক্তি নিয়ে যখন রাজনৈতিক ও সামাজিক পর্যায়ে নানামুখী বিতর্ক চলছে, তখনই এমন কঠোর অবস্থান নিলেন হিজবুল্লাহ প্রধান। উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে এ পর্যন্ত চার হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং সমসংখ্যক মানুষ আহত হয়েছেন। ফলে দীর্ঘদিনের এই বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা ও চুক্তি নিয়ে দেশটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

করাচিতে আধাসামরিক বাহিনীর সদরদপ্তরে ভয়াবহ হামলা: নিহত ৭

ওয়াশিংটন চুক্তি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, আগে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের দাবি

আপডেট সময় : ১২:৫৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সই হওয়া সাম্প্রতিক কাঠামোগত চুক্তিটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেম। শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই চুক্তিটি বাতিল ও অকার্যকর। এর পরিবর্তে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী লেবাননের ভূখণ্ড থেকে আগে ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার করতে হবে।

ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বৈরুত ও তেল আবিবের মধ্যেকার পঞ্চম দফার আলোচনার পর এই প্রথম হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এল। নাঈম কাসেম সতর্ক করে বলেন, প্রতিরোধ বাহিনীর নিরস্ত্রীকরণের শর্তে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব অত্যন্ত বিপজ্জনক। তিনি মনে করেন, এ ধরনের পদক্ষেপ লেবাননকে ইসরায়েলি শত্রুর হাতের পুতুলে পরিণত করবে এবং এটি সার্বভৌমত্বের সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করে।

লেবাননের অভ্যন্তরে এই চুক্তি নিয়ে যখন রাজনৈতিক ও সামাজিক পর্যায়ে নানামুখী বিতর্ক চলছে, তখনই এমন কঠোর অবস্থান নিলেন হিজবুল্লাহ প্রধান। উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে এ পর্যন্ত চার হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং সমসংখ্যক মানুষ আহত হয়েছেন। ফলে দীর্ঘদিনের এই বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা ও চুক্তি নিয়ে দেশটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।