ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত: চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার শঙ্কা

জলবায়ু পরিবর্তন ও এল-নিনোর প্রভাবে দেশে বৃষ্টিপাতের ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। চলতি জুন মাসে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টির মাস হিসেবে পরিচিত জুনে স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৪৭ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে, যা জনজীবন ও প্রকৃতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, জুনে সাধারণত গড়ে ৪৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হওয়ার কথা থাকলেও এবার তা অনেক কম। এমনকি আগামী জুলাই মাসেও স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ‘এল-নিনো’ প্রভাবের কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বৃদ্ধির পাশাপাশি আবহাওয়ার এই চরমভাবাপন্ন আচরণ আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

নাসার গডার্ড ইনস্টিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজের মতে, এই পরিবর্তন শুধু নির্দিষ্ট অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে অনুভূত হচ্ছে। বাংলাদেশে বিশেষ করে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগ ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সামগ্রিকভাবে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি রয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল। তীব্র গরম আর অনাবৃষ্টির এই পরিস্থিতি কৃষি ও পরিবেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোল উৎসবে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বেলজিয়াম

এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত: চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার শঙ্কা

আপডেট সময় : ১২:২৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তন ও এল-নিনোর প্রভাবে দেশে বৃষ্টিপাতের ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। চলতি জুন মাসে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টির মাস হিসেবে পরিচিত জুনে স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৪৭ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে, যা জনজীবন ও প্রকৃতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, জুনে সাধারণত গড়ে ৪৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হওয়ার কথা থাকলেও এবার তা অনেক কম। এমনকি আগামী জুলাই মাসেও স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ‘এল-নিনো’ প্রভাবের কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বৃদ্ধির পাশাপাশি আবহাওয়ার এই চরমভাবাপন্ন আচরণ আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

নাসার গডার্ড ইনস্টিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজের মতে, এই পরিবর্তন শুধু নির্দিষ্ট অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে অনুভূত হচ্ছে। বাংলাদেশে বিশেষ করে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগ ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সামগ্রিকভাবে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি রয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল। তীব্র গরম আর অনাবৃষ্টির এই পরিস্থিতি কৃষি ও পরিবেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।