ঢাকা ০২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ইউরোপের তীব্র তাপপ্রবাহে আশঙ্কাজনক হারে গলছে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহ

ইউরোপজুড়ে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ তাপপ্রবাহের প্রভাবে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহগুলো নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়েছে। দেশটির হিমবাহ পর্যবেক্ষণ সংস্থা গ্লামোসের প্রধান ম্যাথিয়াস হুস এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছেন, গত শীত মৌসুমে জমে থাকা বরফ ও তুষার আগামী সোমবারের মধ্যেই পুরোপুরি গলে যেতে পারে। এর ফলে এ বছর ‘গ্লেসিয়ার লস ডে’ বা বরফ ক্ষয়ের সূচনালগ্ন ঐতিহাসিকভাবে দ্বিতীয় দ্রুততম সময়ে পৌঁছাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্বাভাবিক উষ্ণ আবহাওয়া এবং গত শীতে তুষারপাতের স্বল্পতা এই গলন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করেছে। ম্যাথিয়াস হুস জানান, রোন হিমবাহে মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে প্রায় এক মিটার পুরু বরফ গলে গেছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের এক ভয়াবহ সংকেত। ২০১০ থেকে ২০২০ সালের গড়ের তুলনায় এ বছর হিমবাহগুলোতে তুষারের পরিমাণ প্রায় ২৫ শতাংশ কম ছিল।

অতিরিক্ত তাপের পাশাপাশি সাহারা মরুভূমি থেকে উড়ে আসা ধূলিকণা তুষারের ওপর পড়ায় তা সূর্যের তাপ বেশি শোষণ করছে, যা গলনের গতি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতিতির পরিমাণ সেপ্টেম্বরে নিরূপণ করা হবে, তবে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন ২০২২ সালের মতো এ বছরও বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে আল্পস অঞ্চলের এই প্রাকৃতিক সম্পদ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোল উৎসবে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বেলজিয়াম

ইউরোপের তীব্র তাপপ্রবাহে আশঙ্কাজনক হারে গলছে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহ

আপডেট সময় : ১২:১৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ইউরোপজুড়ে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ তাপপ্রবাহের প্রভাবে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহগুলো নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়েছে। দেশটির হিমবাহ পর্যবেক্ষণ সংস্থা গ্লামোসের প্রধান ম্যাথিয়াস হুস এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছেন, গত শীত মৌসুমে জমে থাকা বরফ ও তুষার আগামী সোমবারের মধ্যেই পুরোপুরি গলে যেতে পারে। এর ফলে এ বছর ‘গ্লেসিয়ার লস ডে’ বা বরফ ক্ষয়ের সূচনালগ্ন ঐতিহাসিকভাবে দ্বিতীয় দ্রুততম সময়ে পৌঁছাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্বাভাবিক উষ্ণ আবহাওয়া এবং গত শীতে তুষারপাতের স্বল্পতা এই গলন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করেছে। ম্যাথিয়াস হুস জানান, রোন হিমবাহে মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে প্রায় এক মিটার পুরু বরফ গলে গেছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের এক ভয়াবহ সংকেত। ২০১০ থেকে ২০২০ সালের গড়ের তুলনায় এ বছর হিমবাহগুলোতে তুষারের পরিমাণ প্রায় ২৫ শতাংশ কম ছিল।

অতিরিক্ত তাপের পাশাপাশি সাহারা মরুভূমি থেকে উড়ে আসা ধূলিকণা তুষারের ওপর পড়ায় তা সূর্যের তাপ বেশি শোষণ করছে, যা গলনের গতি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতিতির পরিমাণ সেপ্টেম্বরে নিরূপণ করা হবে, তবে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন ২০২২ সালের মতো এ বছরও বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে আল্পস অঞ্চলের এই প্রাকৃতিক সম্পদ।