অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন গ্রাম ও একটি মসজিদে বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় ইসরাইলি ছয় অবৈধ অভিবাসীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেছেন দেশটির কৌঁসুলিরা। গত শুক্রবার ইসরাইলি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয়তাবাদী উদ্দেশ্য নিয়ে দেইর দিবওয়ান গ্রামে সন্ত্রাসবাদ, অগ্নিসংযোগ এবং সহিংস দাঙ্গার অভিযোগে এই ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গত ১৪ জুন মুখোশধারী একদল সেটলার পূর্বপরিকল্পিতভাবে দাহ্য পদার্থ, টিয়ার শেল এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে গ্রামে প্রবেশ করে। তারা সেখানে গাছপালা ও যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় মসজিদে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, মসজিদের ভেতরে মুসল্লিরা অবস্থানকালে জানালা দিয়ে দাহ্য পদার্থ ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচজনই অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং একজনের বয়স ১৮ বছর। তাদের বিরুদ্ধে জেরুসালেম জেলা আদালতে বর্ণবাদী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা এবং দাঙ্গার অভিযোগ আনা হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর সেটলারদের হামলার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বর্তমানে দৈনিক গড়ে প্রায় ছয়টিতে দাঁড়িয়েছে।
এই আইনি পদক্ষেপের পরও পশ্চিম তীরে সহিংসতা থামেনি। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হেব্রন ও রামাল্লাহসহ বিভিন্ন এলাকায় ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ও কৃষি জমিতে নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এমনকি মসজিদে নামাজ আদায়ে বাধা প্রদান ও মুসল্লিদের মারধরের মতো গুরুতর অভিযোগও পাওয়া গেছে।
রিপোর্টারের নাম 























