ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

‘সীমান্তে নিহতদের প্রধান পরিচয় তারা বাংলাদেশি’: কুলাউড়ায় নাগরিক পার্টির প্রতিবাদ সভা

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক মুজিবুর রহমান হত্যার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের চাতলাঘাট বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সীমান্তে যাদের হত্যা করা হচ্ছে তাদের কোনো ধর্মীয় পরিচয় নেই, তাদের একমাত্র পরিচয় তারা বাংলাদেশি। ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীর এই অমানবিক কর্মকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে ভারতকে আন্তর্জাতিক আদালতের মুখোমুখি করার দাবি জানান তিনি।

সভায় বক্তারা বলেন, শুধু কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা সম্ভব নয়। সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। একইসঙ্গে সীমান্তে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে জোরালো কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানানো হয়। আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের এসব ঘটনার জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে সীমান্ত হত্যা থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

পথসভার আগে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা নিহত মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান। সভায় দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে সীমান্ত হত্যা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি: হরমুজ প্রণালিতে বাড়ছে জাহাজ চলাচল

‘সীমান্তে নিহতদের প্রধান পরিচয় তারা বাংলাদেশি’: কুলাউড়ায় নাগরিক পার্টির প্রতিবাদ সভা

আপডেট সময় : ০৯:০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক মুজিবুর রহমান হত্যার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের চাতলাঘাট বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সীমান্তে যাদের হত্যা করা হচ্ছে তাদের কোনো ধর্মীয় পরিচয় নেই, তাদের একমাত্র পরিচয় তারা বাংলাদেশি। ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীর এই অমানবিক কর্মকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে ভারতকে আন্তর্জাতিক আদালতের মুখোমুখি করার দাবি জানান তিনি।

সভায় বক্তারা বলেন, শুধু কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা সম্ভব নয়। সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। একইসঙ্গে সীমান্তে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে জোরালো কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানানো হয়। আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের এসব ঘটনার জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে সীমান্ত হত্যা থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

পথসভার আগে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা নিহত মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান। সভায় দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে সীমান্ত হত্যা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।